শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০০৯

চেহারা সনাক্তকরণ - বুদ্ধিমত্তার পরিচালক নাকি স্রেফ ধোঁয়াশার খেলা

অ্যাপল আর গুগল বাজারে এনেছে কয়েকটি নতুন ফটো প্রোগ্রাম, যেগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে চেহারা সনাক্তকরণের জন্য রীতিমত বৈপ্লবিক কিছু প্রযুক্তি।

ধরুন, আপনার কম্পিউটারে হাজার পঁচিশেক ডিজিটাল ছবি স্টোর করা আছে। বেশির ভাগই মানুষের। এখন পর্যন্ত এসব ছবি থেকে কাঙিক্ষত ছবি খুঁজে বের করার একমাত্র উপায় হলো হাত এবং চোখ কাজে লাগানো। অর্থাৎ তারিখ, এক্সিফ ডাটা, ট্যাগ অথবা নিতান্তই নিজের ý মৃতিশক্তিকে কাজে লাগিয়ে খুঁজে বের করা। কিন্তু এখন থেকে এই খোঁজাখুঁজির কাজটা কম্পিউটারই করে ফেলতে পারবে। এজন্য অ্যাপল এবং গুগলকে ধন্যবাদ দিতেই হয়, কারণ তারা তাদের ফটো ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের নতুন ভার্সনে চেহারা সনাক্তকরণের নতুন প্রযুক্তিটি সংযুক্ত করেছে।

চেহারা সনাক্তকরণের এই প্রযুক্তিটির জন্ম মূলত ১১ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাপটে। সে সময় সন্ত্রাস প্রতিরোধে জন্ম নেয়া সুচতুর এবং কুশলী প্রযুক্তিগুলোর মধ্যে এটি একটি, যার পেছনে কাজ করেছে সত্যিকারের মেধা। উদ্দেশ্যটা ছিল এমন যে, কোন সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী নিরাপত্তা চৌকি পার হবার সময় এই প্রযুক্তির মাধ্যমে তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সণাক্ত করা যাবে। যদিও ব্যাপারটি ঠিক সেভাবে কাজ করেনি। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় টাম্পাতে করা একটি পরীক্ষার কথা; শতকরা ৫৩ ভাগ ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিমানবন্দনের কর্মচারীদের সনাক্ত করা যায়নি। এছাড়া নাগরিক স্বাধীকারের জন্য কাজ করে এমন কিছু গোষ্ঠী জানিয়েছে, অনেক ক্ষেত্রেই নিরাপরাধ লোকজনকে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদেরকে হয়রানি এমনকি গ্রেপ্তার হতে হয়েছে শুধুমাত্র তাদের চেহারার ধরনের কারণে। আর এভাবেই এই প্রযুক্তিটি নিজেকে কার্যকর প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়ে জনগণের দৃষ্টির বাইরে চলে গেছে। আর এভাবেই অকার্যকর যেকোন কিছুকে ছুড়ে ফেলে দেয় হয়।

যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশই তাদের পাসপোর্টের জন্য প্রয়োজনীয় ছবির চাহিদা বদলে দিয়েছে যাতে একে সনাক্তকারী সফটওয়্যারের জন্য আরো সহায়ক করে তোলা যায়। ১৯৯৪ সাল থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ডস এ্যান্ড টেকনোলজি এই প্রযুক্তিটির পরীক্ষা-নীরিক্ষা চালিয়ে আসছিল। ২০০২ এবং ২০০৬ সালে তারা ব্যাপকভাবে এই পরীক্ষা চালায়। বিশেষ করে একজন মানুষ যখন ভিন্ন ভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে একাধিক ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে চায় তখন। প্রযুক্তিটি ক্রমশ উন্নতি দেখিয়েছে বেশ ভালভাবেই।

একটি কার্যকর চেহারা সনাক্তকারী ব্যবস্খার জন্য প্রথম যেটি প্রয়োজন, সেটি হলো কম্পিউটার যেন একটি ছবি থেকে মানুষের চেহারাকে আলাদাভাবে সনাক্ত করতে পারে। কৌশলগত ভাবে একটি নির্দিষ্ট মানুষকে খুঁজে বের করার চাইতে এটা অনেক সহজ কাজ। ২০০১ সালের ১২ সেপ্টেম্বরের পর এই প্রযুক্তিটিকে প্রায় আদর্শ রূপে এনে দাঁড় করানো হয়েছিল, যার ফলস্বরূপ কয়েক বছরের মধ্যেই ডিজিটাল ক্যামেরা ও ক্যাম কর্ডার গুলোতে চেহারা সনাক্তকরণের প্রযুক্তি চালু হয়ে যায়। এটি মূলত চোখ, নাক এবং চেহারার অন্যান্য অঙ্গের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ আকৃতি খুঁজে বের করার মাধ্যমে কাজ করে। তারা একটি নির্দিষ্ট বক্সের ভেতর চেহারাটি থাকার সম্ভাবনা নির্দিষ্ট করে স্বয়ংক্রিয় ফোকাস করার সিস্টেমটিকে বলে দেয় কোথায় ফোকাস করতে হবে। কাঙিক্ষত কোন মানুষের চেহারা ছবিতে ঝাপসা হয়ে থাক, এটা কেউ চায় না।

আর তাই, চেহারা সনাক্তকরণের কাজটা শুরু হয় চিহ্নিতকরণের মাধ্যমেই। এরপর চেহারার বক্সটিকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে চোখ দু’টোকে সমান্তরালে আনা হয় এবং একই আকারে নিয়ে আসা হয়। এরপর তিনটি ভিন্ন প্রক্রিয়া কাজ করা শুরু করে। অবশ্য এই প্রত্যেকটি প্রক্রিয়ারই আলাদা আলাদা অনুপ্রক্রিয়া আছে। প্রত্যেকটিরই আছে নিজস্ব পেটেন্ট। একটি প্রক্রিয়ায় পুরো চেহারাটিকে গাণিতিক সংকেত পরিণত করে জমা রাখা হয় যার সাথে তুলনা করে পরে একই চেহারা খুঁজে বের করা যায়। অন্য একটি প্রক্রিয়ায় পুরো চোহারাটিকেই টেমপ্লেটে রূপান্তরিত করে জমা রাখা হয় এবং পরবর্তীতে পুরো চেহারাটিকেই সনাক্তকরণের সময় তুলনা করার জন্য ব্যবহার করা হয়। আর তৃতীয় একটি পদ্ধতিতে চেহারাটির একটি ত্রিমাত্রিক মডেল তৈরি করে পরবর্তীতে এক ধরনের জ্যামিতিক তুলনার মাধ্যমে সনাক্তকরণের কাজে ব্যবহার করা হয়। অভিজ্ঞতা বলছে, অ্যাপলের সফটওয়্যারটি যেখানে যুগান্তকারী প্রক্রিয়ায় কাজ করছে, সেখানে গুগলের সফটওয়্যারটি মূলত ইমেজ ম্যাচিং করছে। তবে এই ধারণা ভুলও হতে পারে। কারণ দু’টি কোম্পানির একটিও প্রকাশ করেনি, তারা আসলে কোন পদ্ধতি ব্যবহার করছে।

অ্যাপলের আই ফটো ০৯’কে পরীক্ষা করা হয়েছিল দু-দফায় ১৭০০০ এবং ১০০০০ ছবি দিয়ে। গুগলের পিকাসা শুধুমাত্র আগেই আপলোড করা ছবির ক্ষেত্রে কাজ করে। যদিও মাত্র ৫০০ ছবি ব্যবহার করেই এই ব্যাপারটা ধরা গেছে। তবে ফলাফল হিসেবে বলা যায়, দুটি সফটওয়্যারই দুর্দান্তভাবে কাজ করে। সেই সাথে এগুলো বেশ চতুরও বটে।

দুটোর মধ্যে আইফটো ’০৯ অবশ্যই তুলনামূলকভাবে ব্যবহারকারী বাব। প্রথমবার আইফটো চালু করার পর এটি নিজে থেকেই কম্পিউটারে থাকা সমস্ত ছবিকে যাচাই করে নেয়। একটি ডুয়েল কোর আই ম্যাকের ক্ষেত্রে এই সময়টা চার ঘন্টা পর্যন্ত হতে পারে। এরপর যখনই পরিচিত কারো মুখের ছবিতে ক্লিক করা হবে। তখনই একটি ডায়লগ বক্স আসবে। সেখানে নামটা লিখে দিলেই হলো, এরপর সফটওয়্যারটি নিজে থেকেই একই ধরনের ছবিগুলো খুঁজে বের করবে। সম্ভবত বক্সের ভেতর অবস্খিত চেহারার দুই পাশ, ভ্রু, চোখ, চিবুক ইত্যাদির মাধ্যমেই সনাক্তকরণ হয়। সব মিলে নাম লেখার পর সেই চেহারার মানুষটির বাদ-বাকী ছবিগুলো খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে আইফটো বেশ ভাল কাজ দেয়। কিন্তু এটাও ঠিক যে এই কাজটা করতে গিয়ে অনেক সময় ভিন্ন মানুষের কিছু ছবিও চলে আসে। এ কারণেই পরবর্তীতে আই ফটোকে বলে দিতে হয় কোন ছবিটা ঠিক আর কোন ছবিটা ভুল। এর মাধ্যমে আই ফটো তার গাণিতিক মডেলটি সংশোধন করে নেয় এবং আবার সবগুলো ছবি যাচাই করে। আর বার বার এই প্রক্রিয়া চালাতে থাকলে ক্রমশই গাণিতিক মডেলটি উন্নত হতে থাকে।

সব চাইতে বিýময়কর দক্ষতাটি আই ফটো প্রদর্শন করে শিশুদের ছবি সনাক্ত করার ক্ষেত্রে। এমনকি একই রকম দেখতে জমজ দুই শিশুর ছবিও এটি আলাদা করতে পেরেছে, (বলা বাহুল্য, একটি শিশুর মুখ সরু এবং অন্যটির একটু মোটা গড়নের ছিল)। কিন্তু দু:খজনকভাবে সমান সংখ্যক ছবির ভেতর থেকে এই দুই জমজের একজনকে অন্যজনের তুলনায় বেশি সনাক্ত করেছে আইফটো। এক্ষেত্রে একটি মজার ব্যাপার ধরা পড়ে যেটি আইফটো ধরতে পেরেছিল কিন্তু অন্যরা পারেনি। একটি শিশু সরাসরি ক্যামেরার দিকে তাকায় কিন্তু অন্যজন তাকায় একপাশ থেকে। আর দুই চোখ সমানভাবে দেখা না গেলে আইফটোর পক্ষে চেহারা সনাক্ত করাটা খুবই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়াও এই শিশুদের মুখে রঙ লাগিয়ে অনেক গুলো ছবি তোলা হয়েছে এবং দেখা গেছে সেগুলো আই ফটো সনাক্ত করতে পারছে না। শুধুমাত্র যেসব ক্ষেত্রে কপালের মাঝামাঝি রঙটা সীমাবদ্ধ ছিল সে ক্ষেত্রে এটি সনাক্ত করতে পেরেছে কারণ কপালটা থাকে সনাক্তকারী বাক্সের বাইরে।

আসলে আই ফটো সনাক্তকরণ পদ্ধতি সম্পর্কে এখনো অনেক কিছুই জানার আছে। বেথের ব্যাপারটাই ধরা যাক। যতবারই তার কম্পিউটারে বেথ এর ছবি খুঁজতে দেয়া হয়, ততবারই সাইমনের প্রাক্তন বাবীর ছবি চলে আসে। মনে হয় আই ফটো বুঝতে পারে সাইমন আসলে কাকে পছন্দ করে। ফাঁকিটা হলো, সাইমনের কম্পিউটারে তার প্রাক্তন বাবীর এত বেশি ছবি যে যে কেউ ইচ্ছেমতো কয়েকটা ছবি বেছে নেবে, তাতে ঐ মেয়ের একটা নয়ত একটা ছবি পড়বেই।

বেড়ালের ছবি সনাক্তকরণের ক্ষেত্রে আই ফটো বিûময়কর সাফল্য দেখিয়েছে, বিশেষ করে হলুদ ও সাদা বেড়ালের ক্ষেত্রে। কিন্তু ট্যাবি জাতের ক্ষেত্রে কথাটা প্রযোজ্য নয়, কারণ এগুলো চেহারা বোঝাটা একটু মুশকিল কাজই বটে। এদের চোখের রঙটা মুরগীর বাচ্চার মতই আর আই ফটো তার সনাক্তকরণের কাজটা ছায়াযুক্ত বা অল্প কনট্রাস্ট এর অংশ থেকেই শুরু করে। এর কারণ হলো ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে চেহারাকে আলাদা করার জন্য এটি ভাল কাজ দেয়।

ঘরে আইফটো আসার পর অনেক সময় কম্পিউটারের পাশে পরিবার সদস্যদের আনাগোনা বেড়ে যায়। তারা সময় কাটায় কম্পিউটারকে নিজেদের চেহারাগুলো ভালভাবে চেনানোর কাজে। কম্পিউটারের হিসেব নিকেষটা বোঝার চেষ্টাটাও চলে। কম্পিউটার যখন ভুল ছবি বের করে তখন অনেক সময় হাসাহাসিও হয়। মাঝে মাঝে বেরিয়ে পড়ে ভুলে যাওয়া কোন ছবিও। এ হিসেবে অ্যাপলের তৈরি সবচাইতে আনন্দদায়ক সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে নি:সন্দেহে স্খান করে নেবে আই ফটো।

এদিক থেকে গুগলের পিকাসা অনেক বেশি ধোঁয়াশাপূর্ণ। কার মুখটা খোঁজা হচ্ছে সেটা না জেনেই আপলোড করা সমস্ত ছবিকে যাচাই করে একই ধরনের মুখগুলোকে একই গ্রুপে ফেলে আলাদা আলাদা ক্লাস্টার তৈরি করে পিকাসা। অনেক ক্ষেত্রেই একই গ্রুপের সব ছবি একই মানুষেরই হয়। এরপর প্রত্যেক গ্রুপের মানুষটির পরিচয়, নাম, ই-মেইল অ্যাড্রেস এসব লেখার কাজটা ব্যবহারকারীকেই করতে হয়। তবে গুগলের এই ক্লাস্টারিং এর কাজটা আহামরি কিছু হয় না। হরহামেশাই বিভিন্ন ব্যক্তিকে একই ক্লাস্টারে এবং একই ব্যক্তিকে বিভিন্ন ক্লাস্টারে ফেলে দেয় পিকাসা। আই ফটোর মত ছদ্মবেশও ধরা পড়ে না এতে। বরং ছদ্মবেশধারী ব্যক্তিকে ভিন্ন ব্যক্তি বলেই ধরে নেয় এটি। তবে গুগলের ইউজার ইন্টারফেসটি চমৎকার। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ক্লাস্টারিং এর কাজটি হয়ে যায় এবং সহজেই পরিচিত সব লোকজনের ছবি তাদের আসল নাম আর ই-মেইল অ্যাড্রেস সহ পাওয়া যায়, এমনকি একই ছবিতে অবস্খানকারী ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির ক্ষেত্রেও, যা পিকাসার অন্যতম আকর্ষণীয় দিক।

আসল নাম জুড়ে দেয়াটাই গুগলের সফটওয়্যারটিকে রহস্যপূর্ণ করে তুলেছে। কারণ এই ছবিগুলো কারো কম্পিউটারে নয় বরং গুগলের সার্ভারে সংরক্ষিত। এই ছবি, নাম এবং ই-মেইল অ্যাড্রেস ব্যবহার করে গুগল চাইলেই একটি গ্লোবাল ডাটাবেজ তৈরি করতে পারবে এবং এজন্যে তার বিরুদ্ধে শর্তভঙ্গের অভিযোগও আনা যাবে না। কেননা সে এই কাজটি করছে তার সেবার মনোন্নয়নের খাতিরে।

গুগলের যে ব্যাপারটি একেবারেই সমাধানের বাইরে, সেটা হলো, এই সেবার মাধ্যমে তারা একটি ছবিতে অবস্খিত সবার পরিচয় জানতে চায়। এমনকি ছবির পেছনের হেটে যাওয়া পথচারীটিরও। গুগলের কর্পোরেট মিশনের উদ্দেশ্য হলো, ‘বিশ্বের সমস্ত তথ্যকে একীভূত করে সবার হাতে পৌছে দেয়া’। এই সেবার মাধ্যমে হয়ত গুগল তার মিশনটিকে সফল করতে চাইছে। কিন্তু সমস্যা হলো সব মানুষের সব তথ্য সবার কাছে থাকার ব্যাপারটা সবার কাছে সমানভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। অন্তত একটি ফটো শেয়ারিং ওয়েব সাইটের কাছে তো এটা কাম্য নয়ই।

আই ফটোতে যখন কেউ নিজের একান্ত প্রিয়জনেদের ছবিগুলো নাড়াচাড়া করে, তখন সে যেমন আনন্দ পায় ঠিক তেমনি গুগলের পিকাসাতে অপরিচিত লোকজনের ছবিরও নাম জানতে চাওয়ায় নিজেকে মনে হয় যেন কোন সেচ্ছাচারী এক নায়কের গোয়েন্দা বিভাগের কর্মচারী।

এসব ভোক্তা তাড়িত চেহারা সনাক্তকারী সফটওয়্যার নি:সন্দেহে বায়োমেট্রিক্স ও জনগণের ওপর ভিত্তিও নজরদারি সংক্রান্ত সকল জননীতি বিতর্কের মৌলিক পরিবর্তন ঘটাবে। ১১ সেপ্টেম্বরের পরবর্তী সময়টাতে কেউ জানতো না এই প্রযুক্তি কিভাবে কাজ করে, এর ভেতর কতটুকু ভুল এবং ঠিকইবা কতটুকু। কিন্তু এ বছরের শেষ নাগাদ লক্ষ লক্ষ আমেরিকানের নিজ হাতে সময়কালের সর্বাধিক দ্রুত চেহারা সনাক্তকারী সফটওয়্যার ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা থাকবে। শুধুমাত্র পরিবার সদস্যদের ছবি নিয়ে কাজ করার নতুনত্বটা ঝড়ে পড়লেই এর অন্যদিকগুলো সবার চোখের সামনে স্পষ্ট হয়ে উঠবে। তখন জনগণের পক্ষ থেকেই দাবী উঠবে এর গতিবৃদ্ধি করার এবং ব্যবহারবিধিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার।

সৌজন্যে : মাসকি ই-বিজ

ছয়টি ব্রেনসমৃদ্ধ প্রসেসর তৈরি করেছে ইন্টেল

বিশ্বখ্যাত কম্পিউটার প্রসেসর চীপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইন্টেল কম্পিউটারের কাজের গতি বৃদ্ধিতে ছয়টি ব্রেনসমৃদ্ধ প্রসেসর তৈরি করার ঘোষণা দিয়েছে। ‘জিয়ন ৭৪০০’ সিরিজের এই প্রসেসরটি বর্তমানের যেকোন প্রসেসরের তুলনায় অধিক দ্রুততার সাথে কাজ করতে সক্ষম হবে তুলনামূলক কম জায়গা এবং শক্তি খরচ ব্যতিরেকে। ইন্টেলের একজন মুখপাত্র তাদের নতুন ‘জিয়ন ৭৪০০’ প্রসেসর সম্পর্কে জানান, ‘এই প্রসেসরটির অন্যতম বিশেষত্ব হচ্ছে এতে অনেক কোর-এর সন্নিবেশ করা হয়েছে যার মাধ্যমে কম্পিউটার এর কাজের গতি বহুগুণে বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।’ উল্লেখ্য বর্তমানে ২ কোর এবং ৪ কোর বিশিষ্ট প্রসেসর বাজারে বিদ্যমান। ফলে ইন্টেলের এই ৬ কোর বিশিষ্ট প্রসেসর তাদের প্রসেসরের গতি বৃদ্ধির প্রচেষ্টারই একটি অংশ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। কেননা, এই ৬কোর বিশিষ্ট প্রসেসরটি বর্তমানের যে কোন প্রসেসরের তুলনায় ৫০ শতাংশ অধিক গতিতে কাজ করতে সক্ষম হবে কিন্তু এনার্জি খরচ কমাবে ১০ শতাংশ। ইন্টেলের ভাইস প্রেসিডেন্ট টম কিলরই তাদের নতুন প্রসেসর সম্বন্ধে জানান, ‘শুধুমাত্র এনার্জি খরচ কম এবং দক্ষতা বৃদ্ধিই নয় বরং আমরা আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী পিসি’র গতিবৃদ্ধির পাশাপাশি ভার্চুয়ালাইজিং সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রতি নতুন এই চীপ তৈরির ক্ষেত্রে মনোযোগ প্রদান করেছি। আমরা আশা করি, নতুন এই চীপ ব্যক্তিগত কাজের পাশাপাশি ব্যবসায়িক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’ আশা করা যাচ্ছে, নতুন এই প্রসেসরের মাধ্যমে সার্ভার ভিত্তিক কর্মকান্ডে নতুন গতি লাভ করতে সক্ষম হবে। সেই সাথে ভিডিও শেয়ারিং পদ্ধতির বর্তমানের যে জটিলতা বিদ্যমান রয়েছে তার অবসান ঘটানো সম্ভব হবে। একই সাথে এই ছয়টি ব্রেনসমৃদ্ধ মাইক্রোপ্রসেসর বিশ্বের কম্পিউটিং শিল্পে নতুন গতিশীলতা আনয়ন করতে সক্ষম হবে।

দ্রুত গতির পাঁচটি সুপারকম্পিউটার

১. ব্লুজিন/এল, লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি, ক্যালিফোর্নিয়া (৪৭৮.২ টেরাফ্লপস; ২১২,৯৯২ প্রসেসর)
২. ব্লুজিন/পি, জার্মানি (১৬৭.৩ টেরাফ্লপস; ৬৫,৫৩৬ প্রসেসর)
৩. এসজিআই অ্যালটিক্স আইস ৮২০০, এসজিআই/নিউ মেক্সিকো কম্পিউটিং অ্যাপলিকেশন সেন্টার, উইসকনসিন, যুক্তরাষ্ট্র (১২৬.৯ টেরাফ্লপস; ১৪,৩৩৬ প্রসেসর)
৪. ইকেএ ক্লাস্টার প্লাটফর্ম ৩০০০ বিএল৪৬০সি, কম্পিউটেশনাল রিসার্চ ল্যাবরেটরিস, পুনা, ভারত (১১৭.৯ টেরাফ্লপস; ১৪,২৪০ প্রসেসর)
৫. ক্লাস্টার প্লাটফর্ম ৩০০০ বিএল৪৬০সি, সুইডেন (১০২.৮ টেরাফ্লপস; ১৩,৭২৮ প্রসেসর)।

ইন্টেলের অ্যাটম প্রসেসর

ইন্টেল করপোরেশন। আজকাল তথ্যপ্রযুক্তির সাথে কোনো না কোনোভাবে জড়িত খুব কম ব্যক্তিই পাওয়া যাবে যে এই নামটির সাথে পরিচিত নন। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি। ১৯৬৮ সালে এর যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে বেশিরভাগ পার্সোনাল কমপিউটারে ব্যবহৃত প্রসেসরই ইন্টেলের তৈরি। শুধু প্রসেসরই নয়-মাদারবোর্ড চিপসেট, নেটওয়ার্ক কার্ড ও আইসি, ফ্ল্যাশ মেমরি, গ্রাফিক্স চিপস, এমবেডেড প্রসেসর এবং কমপিউটিং ও কমিউনিকেশন সংক্রান্ত আরও অনেক ডিভাইসের প্রস্তুতকারক এই কোম্পানি। বিশ্বে ডেস্কটপ কমপিউটার, নোটবুক কমপিউটার কিংবা এ জাতীয় আরো কিছু ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহৃত মাইক্রোপ্রসেসরের বাজারের বেশিরভাগই ইন্টেল দখল করে আছে। সম্প্রতি ইন্টেল এর নতুন বাজারের জন্য অ্যাটম চিপ ডিজাইন করেছে। আমাদের এই লেখা ইন্টেলের তৈরি এ নতুন চিপ নিয়ে।

ইন্টেলের রয়েছে প্রসেসরের বিশাল সমাহার। সেলেরন প্রসেসর থেকে শুরু করে কোয়াড কোর প্রসেসরের সর্বশেষ সংস্করণসহ সবই এখন পাওয়া যাচ্ছে। ইন্টেলের রয়েছে ডেস্কটপ চিপ, সার্ভার চিপ এবং মোবাইল চিপ। আপনি হয়তো ভাবতে পারেন, বিশ্বে চিপের এমন কোনো বাজার নেই যেখানে ইন্টেল প্রবেশ করেনি। কিন্তু প্রযুক্তি দ্রুত পরিবর্তনশীল এবং প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ডিভাইস আমাদের সামনে আসছে। বিগত কয়েক বছরে ‘আলট্রা মোবাইল পিসি’ নামে এক ধরনের কমপিউটার আমাদের সামনে এসেছে। ইন্টেল এই নতুন বাজারটি চিনতে পেরেছে এবং এই ‘আলট্রা মোবাইল পিসি’র (ইউএমপিসি) জন্য ইন্টেল অ্যাটম সিপিইউ নামের এ চিপ ডিজাইন করেছে।

এক্সস্কেল :
আপনার যদি পকেট পিসি, পিডিএ, এমপিথ্রি প্লেয়ার, পার্সোনাল ভিডিও প্লেয়ার কিংবা আইপড থেকে থাকে তাহলে আপনি নিশ্চিতভাবে এক্সস্কেল সিপিইউর কথা শুনেছেন। ২০০৬ সাল পর্যন্ত (এক্সস্কেল সিপিইউর ব্যবসায় পুরোপুরি বিক্রি করে দেয়ার সময়) ইন্টেলই এক্সস্কেল সিপিইউ তৈরি করত। কিন্তু প্রশ্ন হলো, মোবাইল ডিভাইসের জন্য ইন্টেলের এই প্রসেসরটি থাকা সত্ত্বেও কেন ইন্টেল এর ব্যবসায় বন্ধ করে দিল এবং কেনই বা মোবাইল ডিভাইসের জন্য অন্য একটি প্রসেসরের ব্যবসায় শুরু করল? এর উত্তর হিসেবে ইন্টেল বলে, তারা এখন এক্সস্কেল সিপিইউ বাদ দিয়ে এক্স৮৬ চিপ, যেমন- ডেস্কটপ, মোবাইল এবং সার্ভার সিপিইউর দিকে নজর দিতে চায়।

এক্সস্কেল এবং অ্যাটমের মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো, এক্সস্কেল সিপিইউ শুধু হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইসসমূহের জন্য। কিন্তু অ্যাটম একটি পরিপূর্ণ এক্স৮৬ সিপিইউ, যা একটি সাধারণ পিসিতেও চলতে পারে। একটি এক্সস্কেল সিপিইউ একটি সাধারণ পিসিতে বসালে সেই পিসি কাজ করবে না।

অ্যাটম :
এক্সস্কেল এবং ইউএলভি (আলট্রা ভায়োলেট) সিপিইউগুলো যেখানে খাপ খায় না, সেখানে ইন্টেল অ্যাটম খাপ খায়। এক্সস্কেলের আকার ও কুলিং পাওয়ার এবং ইউএলভির পাওয়ার ও এক্স৮৬ আর্কিটেকচারের চেয়ে অ্যাটমের সংশ্লিষ্ট বৈশিষ্ট্যগুলো অনেক উন্নততর। অ্যাটম শুধু ৩২ বিট অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যারই চালায় না, ৬৪ বিটের অপারেটিং সিস্টেম এবং সফটওয়্যারও চালাতে পারে। যেহেতু অ্যাটম প্রসেসর ইউএমপিসির দিকে ধাবিত, তাই এর আলাদা ইনস্ট্রাকশনগুলো মাল্টিমিডিয়া ও গেমিংয়ের কাজে বেশ সহায়ক।

অ্যাটমের আরেকটি আকর্ষণীয় বিষয় হলো এর আকার। একটি পিসির সম্পূর্ণ গঠনের কথা চিন্তা করলে সাথে সিপিইউকে অন্যান্য অংশের তুলনায় ছোট মনে হয়। কিন্তু অ্যাটম প্রকৃতভাবেই খুব ছোট। ফলে যেকোনো ছোট ডিভাইসের সাথে এর সমন্বয় করা খুব সহজ।

অ্যাটমের সবচেয়ে সুবিধাজনক বিষয় হচ্ছে এ দিয়ে উৎপন্ন তাপ। অ্যাটম ০.০১ ওয়াট থেকে ২.৫ ওয়াট তাপ উৎপন্ন করে, যেখানে একটি ইউএলভি সিপিইউ উৎপন্ন করে ১০ ওয়াট। ফলে অ্যাটম সিপিইউতে হিট সিঙ্কের ব্যবহার মোটামুটি অপ্রয়োজনীয়।

পারফমেন্স :
অ্যাটম সিপিইউ দুটি ভিন্ন ভিন্ন কোড নামে আছে। একটি ইউএমপিসির জন্য এবং অন্যটি ছোট ডেস্কটপ কমপিউটারের জন্য। ইউএমপিসির জন্য অ্যাটমের কোড নাম সিলভারথ্রোন। এটি একটি সিঙ্গেল কোর সিপিইউ। মডেলের ওপর ভিত্তি করে এটি সাধারণত ১.৬ গিগাহার্টজ থেকে ১.৮ গিগাহার্টজ ক্লক স্পিডে চলে। ডেস্কটপ কমপিউটারের জন্য অ্যাটমের কোড নাম ডায়মন্ডভিল। এটি সিঙ্গেল কোর ও ডবল কোর এই দুই মডেলেই বাজারে আসবে। এর ক্লক স্পিড হবে ২.৩ গিগাহার্টজ। এখন প্রশ্ন জাগতে পারে, তুলনামূলকভাবে কোন কোন দিক দিয়ে অ্যাটম সিপিইউ অন্যান্য সিপিইউ থেকে ভালো। এর আকার ও কুলিং পাওয়ার নিয়ে আগে আলোচনা করা হয়েছে। এর গতি হবে পেন্টিয়াম-৩ ১.১ গি. হা. এবং সেলেরন এম ১.৮ গি. হা.-এর মাঝামাঝি কোনো গতি। খুব শিগগিরই অ্যাটম সিপিইউতে কোনোরকম সমস্যা ছাড়াই উইন্ডোজ ভিসতা চলতে পারবে। এছাড়া নিকট ভবিষ্যতে ডিডিআর ২ মেমরি কন্ট্রোলার এবং গ্রাফিক্স কোর সংবলিত অ্যাটম চিপ বাজারে আসবে। এই বৈশিষ্ট্য অবশ্যই মাদারবোর্ডের আকার ছোট করবে। পাইনভিউ কোড নামের এ ভবিষ্যৎ অ্যাটম চিপ সিঙ্গেল কোর ও ডবল কোর- এ দুই ধরনেই আসবে।

অ্যাটম ডিভাইস :
অ্যাটম সিপিইউ সংবলিত নতুন নতুন ডিভাইস যথারীতি আমরা দেখতে শুরু করেছি। জনপ্রিয় ASUS EEE মডেলে ইএমপিসি অ্যাটম সিপিইউ দিয়ে তৈরি। এটা অনেকটা পুরনো-এর মতোই। কিন্তু এখানে সেলেরন এম প্রসেসরের পরিবর্তে অ্যাটম সিপিইউ ব্যবহার করা হয়েছে।

শার্প উইলকম কোম্পানির একটি কমপিউটার রয়েছে, যা অ্যাটম প্রসেসর ব্যবহার করে। এর রয়েছে ১ গি. বা. র‌্যাম, ৪০ গি. বা হার্ডডিস্ক, ১টি ২ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা, ওয়াইফাই এবং ব্লু টুথ সংযোগ। এতে ভিসতা হোম প্রিমিয়াম এসপি ১ এবং মাইক্রোসফট অফিস রান করবে। এ ডিভাইসটি সেলফোন হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।

শেষ কথা :
ইন্টেলের নতুন সিপিইউ ইউএমপিসি বাজারে একটি বিশাল প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে। কমপিউটিংয়ের জন্য এটি ইন্টেলের একটি বড় পদক্ষেপ। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এটি একটি বিস্ময়কর সিপিইউ হবে বলে আশা করা যায়।

সৌজন্যে : কম্প্উটার জগৎ ASUS EEE

ফটোশপে লেয়ার স্টাইল নির্ধারণ করা

যে লেয়ারে ইফেক্ট করা হবে সে লেয়ার নির্বাচনে করে লেয়ার স্টাইল নির্দেশ দিলে বিভিন্ন ইফেক্টস মেনু ওপন হবে। এখান থেকে বিভিন্ন অপশন নির্বাচন করে নির্বাচিত লেয়ারের ইমেজে বিভিন্ন ইফেক্টস দেয়া যায়। বিভিন্ন ইফেক্টস দেয়া পরীক্ষা করার জন্য একটি লেয়ার তৈরি করে পরীক্ষা করার জন্য:

১. টুলবক্সের ব্যাকগ্রাউন্ড টুল এ ক্লিক করে হালকা যে কোন রঙ নির্বাচন করুন। কন্ট্রোল+এন কী দ্বয় চেপে প্রদর্শিত নিউ ডায়ালগ বক্সে প্রস্থ: ৩৩১ পিক্সেল. দৈর্ঘ্য: ৩৬৮ পিক্সেল রেজ্যুলেশন: ৯৬.২৮৮ পিক্সেল/ইঞ্চি এবং কনটেন্ট ব্যাকগ্রাউন্ড কালার সিলেক্ট করে ওকে করুন।
২. উইন্ডো-লেয়ার নির্দেশ দিয়ে লেয়ার উইন্ডো প্রদর্শন করুন। শিফট+কন্ট্রোল+এন কী চেপে নতুন লেয়ার তৈরির প্রক্রিয়ায় নেম বক্সে টেস্ট লিখে এন্টার দিন। নতুন একটি লেয়ার তৈরি হবে। টুলবক্সের ফরগ্রাউন্ড টুলে ক্লিক করে কালার ডায়ালগ বক্স থেকে হালকা কালো (ছাই) রঙ নির্ধারণ করুন।
৩. টুলবক্সের পেইন্ট ব্রাশ টুল নির্বাচন করে যে কোন শব্দ লিখুন। এবার ড্রপ শ্যাডো, ইনার শ্যাডো, ইনার গ্লো/ আউটার গ্লো ইত্যাদি লেয়ারের উপর বিভিন্ন ইফেক্টস দেখা যাবে।

সিডি/ডিভিডি রাইট

এখন নিরো ব্যবহার করে কম্পিউটার থেকে সিডি/ভিভিডি’তে বা সিডি থেকে সিডি বা ডিভিডি থেকে ডিভিডি তৈরি করার প্রক্রিয়া দেখা যাক:
কম্পিউটার থেকে সিডি/ডিভিডিতে ডাটা কপি করা-

১. সিডি/ডিভিডি রাইটারে ব্ল্যাঙ্ক সিডি/ ডিভিডি রাখুন।
২.ডেস্কটপ থেকে নিরো চালু করুন। প্রোগ্রাম আসবে।
৩. বাম দিকের স্টার আইকনে কার্সর আনুন এবং মেক ডাটা ডিস্ক অপশনে ক্লিক করুন।
৪. ফাইল সিলেক্ট করার অপশন আসলে এড বাটনে ক্লিক করুন।
৫. এখন নির্দিষ্ট ফোল্ডার থেকে ফাইল সিলেক্ট করে এড বাটনে ক্লিক করুন। সমস্ত ফাইল সিলেক্ট করা হলে ফিনিশড বাটনে ক্লিক করুন।
৬. এড উইন্ডোতে সিলেক্ট করা ফাইলগুলো পাওয়া যাবে। নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন।
৭. এখন ডাইসের একটি নাম দিন এবং রাইটিং স্পিড কত হবে সেটি সিলেক্ট করে বার্ন বাটনে ক্লিক করুন। এখন বার্নিং প্রসেস শুরু হবে এবং প্রোগ্রেস বার দেখাবে।
৮. বার্ন প্রসেস শেষ হলে এক্সিট বাটনে ক্লিক করুন।
৯. সিডি বা ডিভিডি কপি করতে হলে প্রথমেই কপি ডিস্ক অপশন সিলেক্ট করুন।
১০. কপির জন্য ইউজার্ড আসবে। বার্ন বাটনে ক্লিক করুন। সিডি/ডিভিডি কপি হতে থাকবে।

ফটোশপে ইমেজ নিয়ন্ত্রণ

ফটোশপে বিভিন্ন ধরনের ইমেজ নিয়ে কাজ করা হয়। ইমেজ সম্পাদনা করে কাংঙ্খিত ইমেজে পরিণত করার জন্য অনেক কমান্ড অপশন ব্যবহার করার মাধ্যমে। ইমেজ মেনুস্থ বিভিন্ন অপশন ব্যবহার করে ইমেজ সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যাবলী সম্পাদন করা হয়। ইমেজ মেন্যুতে ক্লিক করলে অথবা Alt+১ চাপলে পর্দায় ইমেজ মেন্যু আসবে। নিম্নে বিভিন্ন অপশনের ব্যবহার আলোচনা করা হল।

ইমেজের মোড নির্ধারণ : ফটোশপে কাজ করার জন্য বিভিন্ন ধরণে (মোড) থাকে। প্রয়োজনে ইমেজের মোড পরিবর্তন করা যায়। ইমেজ>মোড নির্দেশ দিলে পর্দায় নিম্নের মোড মেন্যু আসে। নিম্নে মোড সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

বিটম্যাপ মোড : বিভিন্ন রঙে মিশ্রিত কোন ইমেজকে বিটম্যাপ ইমেজে রূপান্তরিত করলে সব রঙ মাত্র দু’টি রঙ সাদা-কালোতে রূপান্তরিত হয়ে ফাইলের সাইজ ছোট করে। ইমেজকে বিটম্যাপ রূপান্তরিত করতে হলে প্রথমে গ্রে-স্কেলে রূপান্তরিত করে নিতে হবে। ইমেজ এডিটিং করার প্রয়োজন থাকলে গ্রে-স্কেলেই করে নেয়া উচিত। বিটম্যাপে এডিটিং এর কম অপশন রয়েছে।

গ্রে-স্কেল মোড : বিটম্যাপের ন্যায় গ্রে-স্কেলেও রঙিন ইমেজ দু’টি রঙ সাদা-কালোতে প্রদর্শিত হয়। কোন ইমেজকে গ্রে-স্কেলে রূপান্তরিত করার জন্য ইমেজটি ওপেন করে ইমেজ>মোড>গ্রে-স্কেল নির্দেশ প্রদান করতে হবে।

কিভাবে কিনবেন এমপি থ্রি প্লেয়ার

বর্তমান তরুণ সমাজের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এমপিথ্রি প্লেয়ার, যা বিনোদন মাধ্যমেও অনেক সময় ডাটা ট্রান্সফারের কাজ করছে। দামের সাথে সঙ্গতি রেখে উন্নত মানের এমপিথ্রি প্লেয়ার কেনার জন্য কিছু বিষয় ভালোভাবে জেনে রাখা দরকার। এমপিথ্রি’র বিভিন্নরকম ডিভাইস, ক্যাপাবিলিটি এবং লিমিটেশন থাকে সেগুলোর ওপর ভিত্তি করে এমপিথ্রি কিনতে হয়।

ব্র্যান্ড-এর নাম
বিভিন্ন বিখ্যাত ব্র্যান্ড কোম্পানি এমপিথ্রি তৈরি করে থাকে। বিখ্যাত নামী কোম্পানিগুলোর এমপিথ্রি ভালো ক্ষমতাসম্পন্ন ও আস্থাপূর্ণ হয়। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান বিক্রয়োত্তর সেবাও প্রদান করে। কিছু জনপ্রিয় ব্র্যান্ড হলো- অ্যাপল আইপড, ক্রিয়েটিভ জেন, মাইক্রোসফট জুন, স্যানডিস্ক সেনসা, সনি এবং অ্যারচো।

মিউজিক, মুভি এবং ফটো
আপনি কি ধরনের এমপিথ্রি পছন্দ করবেন? শুধুমাত্র গান, চলচ্চিত্র, নাকি নিজস্ব ডাটা সংগ্রাহক। এগুলোই যদি হয় আপনার চাহিদা তাহলে কিছু কিছু এমপিথ্রি প্লেয়ার আছে যেগুলো আপনার পছন্দ পূরণ করবে। এসব এমপিথ্রি প্লেয়ার দেখতে খুব পাতলা এবং এর ওপর স্ক্রিন থাকতেও পারে নাও পারে। আর আপনি যদি মুভি, ফটো দেখার ক্ষমতা সম্পন্ন এমপিথ্রি প্লেয়ার চান তবে সেগুলোও বাজারে পাওয়া যাবে। এগুলোর স্ক্রিন এলসিডি ডিসপ্লে এবং আয়তনে বড় হয়। আপনি যদি আপনার পছন্দ সম্পর্কে দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকেন তবে এই সব গুণাগুণ সম্পন্ন একটি এমপিথ্রি কিনতে পারেন। তবে ক্ষমতা ও ব্র্যান্ডের ওপর এমপিথ্রি প্লেয়ার এর বাজার মূল্য নির্ধারিত হয়। যেমন- সিএসএম, সনি, এফোরটেক ইত্যাদি।

এমপিথ্রি প্লেয়ারের আকৃতি
এমপিথ্রি-এর আকার ছোট বড় বিভিন্ন রকম হতে পারে। ছোট এমপিথ্রিগুলো গলায় ঝুলিয়ে ব্যায়ামসহ নানা কাজ করা ও বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ানো যায়। মধ্যম আকারের এমপিথ্রি প্লেয়ারগুলোর আকৃতি ২ ইঞ্চি থেকে ৩.৫ ইঞ্চি স্ক্রিন বিশিষ্ট এবং ওজন ৫ আউন্স এর মধ্যে। যা বিশ্বব্যাপী বেশ জনপ্রিয়। এগুলোতে অডিও ও ভিডিও দু’ধরনের ব্যবস্থা আছে। বড় আকারের এমপিথ্রি প্লেয়ারগুলো ৪ ইঞ্চি অথবা তার থেকে বেশি স্ক্রিন বিশিষ্ট। পুরু ও শক্তিশালী বা গান শোনা ও ভিডিও দেখার জন্য চমকপ্রদ, কিন্তু সেগুলো বেশ ব্যয়বহুল।

দাম ও ধারণ ক্ষমতা
এমপিথ্রি প্লেয়ার-এর ধারণ ক্ষমতা নির্ভর করে হার্ডডিস্ক অথবা মেমোরি চিপ-এর ওপর যেগুলো ফ্ল্যাশ মেমোরি নামে পরিচিত। যে সব এমপিথ্রি-এর হার্ডডিস্ক থাকে সেগুলোর ধারণ ক্ষমতা বেশি। তবে বেশির ভাগের ক্ষেত্রে ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করা হয়। বাজারে ১২৮এমবি থেকে শুরু করে ২জিবি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন এমপিথ্রি পাওয়া যায়। কিছু কিছু প্লেয়ার-এ অতিরিক্ত মেমোরি কার্ড সংযুক্ত করা যায় সেক্ষেত্রে ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এমপিথ্রি প্লেয়ারগুলোতে ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী গান বা ভিডিও চিত্র রাখা যায়। ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী এসব প্লেয়ার-এর মূল্য নির্ধারিত হয়। একটি ১জিবি এমপিথ্রি প্লেয়ার-এর মূল্য ১০০০-৩০০০ টাকা পর্যন্ত। যেমন- সনি, এফোরটেক, সনি টেক ইত্যাদি।

ব্যাটারি
বেশিরভাগ এমপিথ্রি প্লেয়ারগুলোই রিচার্জেবল ব্যাটারি দ্বারা চালিত। কিন্তু কিছু এএ বা এএ৪ ব্যাটারি দ্বারা চলে। ব্যাটারি যাই হোক না কেন এক্ষেত্রে আপনার বিবেচ্য ব্যাটারির স্থায়িত্বকাল। নতুন আইপড ক্ল্যাসিক ৪০ ঘন্টার ব্যাটারির চার্জ স্থায়ী। এমপিথ্রি কেনার সময় চার্জার ও অতিরিক্ত ব্যাটারি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে কেনা উচিত।

কিভাবে গান যুক্ত করবেন
এমপিথ্রি প্লেয়ার-এ গান না থাকা অনেকটা সিএনজি ব্যতিত গাড়ির সমান বা অচল। প্রতিটি এমপিথ্রিতে সফটওয়্যার থাকে মিউজিক শোনার জন্য ও ভিডিও দেখার জন্য। আপনি আপনার টেকনিক্যাল নলেজ ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে গান রাখতে পারেন। আর যদি অনলাইনে গান নিতে চান তবে সেক্ষেত্রে অন্য ব্যবস্থা যেমন- আইপড এ অনলাইন মিউজিক কেনার ব্যবস্থা আছে।

মিউজিক ফরমেট
ডিজিটাল গান শোনার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ফরমেট হচ্ছে এমপিথ্রি। সে জন্যে প্রতিটি ডিজিটাল মিডিয়া এমপিথ্রি’কে সহজেই এমপিথ্রি’তে পাঠানো যায়। অন্যান্য জনপ্রিয় ফরমেটগুলোর মধ্যে অন্যতম- ডব্লিউএমএ (উইন্ডোজ মিডিয়া অডিও) ও এএসি (অ্যাডভান্সড অডিও কোডিং)। এছাড়াও কিছু বিশেষ ফরমেট হচ্ছে- এফএলএসি, ওজিজি, ডব্লিউএভি এবং এআইএফএফ।

পিসি বা ম্যাক
কিছু কিছু এমপিথ্রি প্লেয়ার- উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর সাথে ভালো কাজ করে। আর কিছু কিছু ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম এর সাথে দ্রুত কাজ করে। সে জন্য এমপিথ্রি কেনার সময় এ জিনিস লক্ষ্য রেখে কিনতে হবে।

অতিরিক্ত কার্যক্রম
অনেকেই সাধারণ এমপিথ্রি প্লেয়ার কিনতে আগ্রহী, কারণ এগুলো ব্যবহার করা সহজ। অনেকেই অতিরিক্ত কার্যক্রম বিশিষ্ট এমপিথ্রি ব্যবহারে উৎসাহী। কারণ এর মাধ্যমে সহজেই ভয়েস রেকর্ডিং, এফএম রেডিও টিউন, ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সংযুক্তি অথবা সরাসরি ভিডিও করার কাজ করে থাকে।

যন্ত্রপাতি
অরিজিনাল ব্র্যান্ডগুলো তাদের এমপিথ্রি প্লেয়ার এর সাথে অন্যান্য যন্ত্রপাতি ভালো মানের প্রদান করে। যেমন- এমপিথ্রি রক্ষাকারী বক্স, হাতে বাধার ব্যবস্থা, স্পিকার এর সাথে সংযুক্ত করার তার, হেডফোন এবং গাড়িতে সংযুক্ত করার জন্য অ্যাডাপটার।
এমপিথ্রি প্লেয়ার কেনার সাথে আপনি এ বিষয়গুলো ভালোভাবে খেয়াল করে কিনলে ভালো মানের এমপিথ্রি প্লেয়ার কিনতে পারবেন, যা নিশ্চিন্তে কয়েক বছর ব্যবহার করা যাবে।

কিভাবে কিনবেন এমপি থ্রি প্লেয়ার

বর্তমান তরুণ সমাজের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এমপিথ্রি প্লেয়ার, যা বিনোদন মাধ্যমেও অনেক সময় ডাটা ট্রান্সফারের কাজ করছে। দামের সাথে সঙ্গতি রেখে উন্নত মানের এমপিথ্রি প্লেয়ার কেনার জন্য কিছু বিষয় ভালোভাবে জেনে রাখা দরকার। এমপিথ্রি’র বিভিন্নরকম ডিভাইস, ক্যাপাবিলিটি এবং লিমিটেশন থাকে সেগুলোর ওপর ভিত্তি করে এমপিথ্রি কিনতে হয়।

ব্র্যান্ড-এর নাম
বিভিন্ন বিখ্যাত ব্র্যান্ড কোম্পানি এমপিথ্রি তৈরি করে থাকে। বিখ্যাত নামী কোম্পানিগুলোর এমপিথ্রি ভালো ক্ষমতাসম্পন্ন ও আস্থাপূর্ণ হয়। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান বিক্রয়োত্তর সেবাও প্রদান করে। কিছু জনপ্রিয় ব্র্যান্ড হলো- অ্যাপল আইপড, ক্রিয়েটিভ জেন, মাইক্রোসফট জুন, স্যানডিস্ক সেনসা, সনি এবং অ্যারচো।

মিউজিক, মুভি এবং ফটো
আপনি কি ধরনের এমপিথ্রি পছন্দ করবেন? শুধুমাত্র গান, চলচ্চিত্র, নাকি নিজস্ব ডাটা সংগ্রাহক। এগুলোই যদি হয় আপনার চাহিদা তাহলে কিছু কিছু এমপিথ্রি প্লেয়ার আছে যেগুলো আপনার পছন্দ পূরণ করবে। এসব এমপিথ্রি প্লেয়ার দেখতে খুব পাতলা এবং এর ওপর স্ক্রিন থাকতেও পারে নাও পারে। আর আপনি যদি মুভি, ফটো দেখার ক্ষমতা সম্পন্ন এমপিথ্রি প্লেয়ার চান তবে সেগুলোও বাজারে পাওয়া যাবে। এগুলোর স্ক্রিন এলসিডি ডিসপ্লে এবং আয়তনে বড় হয়। আপনি যদি আপনার পছন্দ সম্পর্কে দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকেন তবে এই সব গুণাগুণ সম্পন্ন একটি এমপিথ্রি কিনতে পারেন। তবে ক্ষমতা ও ব্র্যান্ডের ওপর এমপিথ্রি প্লেয়ার এর বাজার মূল্য নির্ধারিত হয়। যেমন- সিএসএম, সনি, এফোরটেক ইত্যাদি।


এমপিথ্রি প্লেয়ারের আকৃতি
এমপিথ্রি-এর আকার ছোট বড় বিভিন্ন রকম হতে পারে। ছোট এমপিথ্রিগুলো গলায় ঝুলিয়ে ব্যায়ামসহ নানা কাজ করা ও বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ানো যায়। মধ্যম আকারের এমপিথ্রি প্লেয়ারগুলোর আকৃতি ২ ইঞ্চি থেকে ৩.৫ ইঞ্চি স্ক্রিন বিশিষ্ট এবং ওজন ৫ আউন্স এর মধ্যে। যা বিশ্বব্যাপী বেশ জনপ্রিয়। এগুলোতে অডিও ও ভিডিও দু’ধরনের ব্যবস্থা আছে। বড় আকারের এমপিথ্রি প্লেয়ারগুলো ৪ ইঞ্চি অথবা তার থেকে বেশি স্ক্রিন বিশিষ্ট। পুরু ও শক্তিশালী বা গান শোনা ও ভিডিও দেখার জন্য চমকপ্রদ, কিন্তু সেগুলো বেশ ব্যয়বহুল।


দাম ও ধারণ ক্ষমতা
এমপিথ্রি প্লেয়ার-এর ধারণ ক্ষমতা নির্ভর করে হার্ডডিস্ক অথবা মেমোরি চিপ-এর ওপর যেগুলো ফ্ল্যাশ মেমোরি নামে পরিচিত। যে সব এমপিথ্রি-এর হার্ডডিস্ক থাকে সেগুলোর ধারণ ক্ষমতা বেশি। তবে বেশির ভাগের ক্ষেত্রে ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করা হয়। বাজারে ১২৮এমবি থেকে শুরু করে ২জিবি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন এমপিথ্রি পাওয়া যায়। কিছু কিছু প্লেয়ার-এ অতিরিক্ত মেমোরি কার্ড সংযুক্ত করা যায় সেক্ষেত্রে ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এমপিথ্রি প্লেয়ারগুলোতে ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী গান বা ভিডিও চিত্র রাখা যায়। ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী এসব প্লেয়ার-এর মূল্য নির্ধারিত হয়। একটি ১জিবি এমপিথ্রি প্লেয়ার-এর মূল্য ১০০০-৩০০০ টাকা পর্যন্ত। যেমন- সনি, এফোরটেক, সনি টেক ইত্যাদি।


ব্যাটারি
বেশিরভাগ এমপিথ্রি প্লেয়ারগুলোই রিচার্জেবল ব্যাটারি দ্বারা চালিত। কিন্তু কিছু এএ বা এএ৪ ব্যাটারি দ্বারা চলে। ব্যাটারি যাই হোক না কেন এক্ষেত্রে আপনার বিবেচ্য ব্যাটারির স্থায়িত্বকাল। নতুন আইপড ক্ল্যাসিক ৪০ ঘন্টার ব্যাটারির চার্জ স্থায়ী। এমপিথ্রি কেনার সময় চার্জার ও অতিরিক্ত ব্যাটারি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে কেনা উচিত।

কিভাবে গান যুক্ত করবেন
এমপিথ্রি প্লেয়ার-এ গান না থাকা অনেকটা সিএনজি ব্যতিত গাড়ির সমান বা অচল। প্রতিটি এমপিথ্রিতে সফটওয়্যার থাকে মিউজিক শোনার জন্য ও ভিডিও দেখার জন্য। আপনি আপনার টেকনিক্যাল নলেজ ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে গান রাখতে পারেন। আর যদি অনলাইনে গান নিতে চান তবে সেক্ষেত্রে অন্য ব্যবস্থা যেমন- আইপড এ অনলাইন মিউজিক কেনার ব্যবস্থা আছে।


মিউজিক ফরমেট
ডিজিটাল গান শোনার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ফরমেট হচ্ছে এমপিথ্রি। সে জন্যে প্রতিটি ডিজিটাল মিডিয়া এমপিথ্রি’কে সহজেই এমপিথ্রি’তে পাঠানো যায়। অন্যান্য জনপ্রিয় ফরমেটগুলোর মধ্যে অন্যতম- ডব্লিউএমএ (উইন্ডোজ মিডিয়া অডিও) ও এএসি (অ্যাডভান্সড অডিও কোডিং)। এছাড়াও কিছু বিশেষ ফরমেট হচ্ছে- এফএলএসি, ওজিজি, ডব্লিউএভি এবং এআইএফএফ।


পিসি বা ম্যাক
কিছু কিছু এমপিথ্রি প্লেয়ার- উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর সাথে ভালো কাজ করে। আর কিছু কিছু ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম এর সাথে দ্রুত কাজ করে। সে জন্য এমপিথ্রি কেনার সময় এ জিনিস লক্ষ্য রেখে কিনতে হবে।


অতিরিক্ত কার্যক্রম
অনেকেই সাধারণ এমপিথ্রি প্লেয়ার কিনতে আগ্রহী, কারণ এগুলো ব্যবহার করা সহজ। অনেকেই অতিরিক্ত কার্যক্রম বিশিষ্ট এমপিথ্রি ব্যবহারে উৎসাহী। কারণ এর মাধ্যমে সহজেই ভয়েস রেকর্ডিং, এফএম রেডিও টিউন, ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সংযুক্তি অথবা সরাসরি ভিডিও করার কাজ করে থাকে।

যন্ত্রপাতি
অরিজিনাল ব্র্যান্ডগুলো তাদের এমপিথ্রি প্লেয়ার এর সাথে অন্যান্য যন্ত্রপাতি ভালো মানের প্রদান করে। যেমন- এমপিথ্রি রক্ষাকারী বক্স, হাতে বাধার ব্যবস্থা, স্পিকার এর সাথে সংযুক্ত করার তার, হেডফোন এবং গাড়িতে সংযুক্ত করার জন্য অ্যাডাপটার।
এমপিথ্রি প্লেয়ার কেনার সাথে আপনি এ বিষয়গুলো ভালোভাবে খেয়াল করে কিনলে ভালো মানের এমপিথ্রি প্লেয়ার কিনতে পারবেন, যা নিশ্চিন্তে কয়েক বছর ব্যবহার করা যাবে।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০০৯

পিসিতে ব্লক করুন ওয়েবসাইট

ধরুন আপনি এমন কিছু সাইট ব্রাউজ করেন যা অন্যরা ব্রাউজ করুক সেটা আপনি চান না। আবার আপনার পরিবারে যদি কোন ছোট কেউ থাকে, আর আপনি যদি এরকম আশংকা করেন যে, ওরা কেউ এডাল্ট ওয়েব ভিজিট করতে পারে; তবে সেসব ওয়েবসাইটকে আপনার পিসিতে ব্লক করে রাখতে পারেন।

কাজটি নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন :

১. মাই কম্পিউটারের C:\ windows \ System32 তে প্রবেশ করুন।
২. এখান থেক Drivers এ গিয়ে etc ফোল্ডারে যান।
৩. এখানে Hosts নামে একটা ফাইল খুৎজে বের করুন। নোটপ্যাড দিয়ে ফাইলটা খুলুন।
৪. এখানে নিচের দিকে দেখতে পাবেন 127.0.0.1 Localhost
লেখাটি।
৫. এর নিচে লিখুন 127.0.0.2 এবং আপনার ওয়েবসাইটের ঠিকানা ( যেটি আপনি ব্লক করতে চান )।
৬. নোটপ্যাডটি সেভ করে বেরিয়ে আসুন।

এভাবে যত ইচ্ছা তত সাইট যোগ করতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন 127.0.0.1 Localhost কিন্তু পরিবর্তন করবেন না। নতুন ওয়েবসাইট শুধু এর নিচে :
127.0.0.2
127.0.0.3
127.0.0.4 এভাবে পর্যায়ক্রমে যোগ করবেন।

যেমন:
127.0.0.2 http://www.yahoo.com (New Window)
127.0.0.3 http://www.myspace.com (New Window)
127.0.0.4 http://www.facebook.com (New Window)



আবার আনব্লক করতে চাইলে যে সাইট গুলি যোগ করেছেন সেগুলো ডিলিট করে দিন। এবং নোটপ্যাড টি সেভ করুন।

 
Design by Free WordPress Themes | Bloggerized by Lasantha - Premium Blogger Themes | Best Buy Coupons