বুধবার, ৩ মার্চ, ২০১০

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড - ফরমেট মেন্যু

সঞ্জয় বড়ুয়া sonjoybabu@yahoo.com

Document কে সুন্দর করতে চাইলে যে কোন ধরনের ছবি বা লেখার বিভিন্ন আকার আকৃতি পরিবর্তনের মাধ্যমে উপস্থাপন করা যায়। আর এজন্য প্রথমে Inser মেনুর সাবমেনু Pictureএ যাওয়া মাত্র আরেকটি চার্ট আসবে যাতে রয়েছে Clip Art, From File, From Scanner or Camera, Organization Chart, New Drawing, AutoShapes, WordArt..., Chart ইত্যাদি।

এখন আসা যাক Clip Artএ। এতে ক্লিক করলে কতগুলো ছবি আসবে যেগুলো আঁকা বা বিভিন্ন বিষয়ের ছবি। এবার পছন্দের যে কোন ছবিতে ক্লিক করলে সেটি পৃষ্ঠায় চলে আসবে।

যদি From Fileএ ক্লিক করেন তাহলে যেই ছবিটি পৃষ্ঠায় আনবেন সেটি দেখিয়ে দিতে হবে অর্থাৎ যেই ছবিটি দেবেন তাতে মাউস দ্বারা ডাবল ক্লিক করুন বা একবার ক্লিক করে Insert বক্সে ক্লিক করলে সেই ছবিটি পৃষ্ঠায় চলে আসবে।

আর যদি Scanner বা Camera থেকে ছবি আনতে চান তবে ক্লিক করুন From Scanner or Camera.

ক্রমান্বয়ে সজ্জিত কোন চার্ট দিতে চাইলে ক্লিক করতে পারেন ঙOrganization Chartএ। সাথে সাথে একটি কমান্ড বক্স আসবে। উক্ত কমান্ড বক্স থেকে Insert Shapeএ ক্লিক করে চার্টের সংখ্যা বাড়িয়ে দিতে পারেন। আর Layout থেকে পছন্দের যে কোন স্টাইলের চার্ট বেছে নিতে পারেন। আর Selecএ গিয়ে Select করতে পারেন যে কোন বিভাগ। আর এভাবেই Document টিকে আরো দৃষ্টিনন্দন করা যায়।


লেখাকে সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন করার জন্য এমএস ওয়ার্ডে রয়েছে Format মেনু। এই Format মেনুর সাবমেনু Fontএ ক্লিক করলে Font নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এই ডায়ালগ বক্স থেকে প্রথমে লেখার কোন ধরনের লেখা চান এজন্য Font থেকে বাংলা (SutonnyMJ, RuposhreeMJ) অথবা ইংরেজির (Times New Roman) জন্য যে কোন একটিতে ক্লিক করে Font style থেকে যে কোন একটিstyle (Regular, Italic, Bold, Bold Italic) এ ক্লিক করে size থেকে লিখাকে বড় বা ছোট করার জন্য যে কোন একটিতে ক্লিক করে Font color থেকে অক্ষরের যে কোন একটি রঙ বেছে নেওয়ার পর যদি শব্দের নিচে দাগ দিতে চান তবে Underline style থেকে words only (শুধু শব্দের নিচে) বা এর নিচের যে কোন দাগে ক্লিক করতে পারেন (শব্দসহ খালি স্থানে)। দাগ দেওয়ার পর Underline color থেকে দাগের যে কোন একটি রঙ বেছে নিতে পারেন। আর যদি দাগ দিতে না চান তবে Underline style এর none এ ক্লিক করুন।

এবার আসা যাক Effects এ। শব্দের মাঝখানে যদি একটি দাগ দিতে চান তবে Strikethroughএ আর যদি দুইটি দাগ দিতে চান তবে Double strikethrough এ ক্লিক করতে পারেন। আর শব্দের ছায়া বা অন্যকোন রকম করতে চাইলে Shadow, Outline, Emboss, Engrave ইত্যাদিতে ক্লিক করতে পারেন। শব্দ লুকাতে চাইলে ক্লিক করতে পারেন Hiddenএ। সবকিছু করার পর OK ক্লিক করতে পারেন।

আর (a+b)3 লেখার সময় 3 লিখে একে সিলেক্ট করে Effects এর Superscript এ ক্লিক করুন বা CO2 লেখার সময় 2 লিখে একে সিলেক্ট করে Format মেনুর সাবমেনু Fon Effects এর Subscript ক্লিক করে Preview দেখে OK ক্লিক করুন।

Format মেনুর একমাত্র কাজ লেখাকে সুন্দর ও পৃষ্ঠাকে আকর্ষণীয় করে সবার সামনে তুলে ধরা। তাছাড়া লেখা যদি আলাদা আলাদাভাবে থাকে তবে তাতে নির্দিষ্ট চিহ্ন বা নম্বর দেয়া যায়।

এজন্য Format মেনুর সাবমেনু Bullete and Numberingএ ক্লিক করলে Bullete and Numbering নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এই ডায়ালগ বক্সের Bulleted, Numbered, Outline Numbered, List Style ইত্যাদি থেকে বেছে নিতে পারেন যে কোন একটি। বেছে নেওয়ার পর পছন্দের যেকোনটিতে ক্লিক করে OK ক্লিক করুন। যদি তা পরিবর্তন করতে চান তবে OK ক্লিক করার আগে Customize থেকে তা পরিবর্তন করতে পারেন।

কোন পৃষ্ঠায় একসাথে অনেক লেখা থাকলে তা দেখতে সুন্দর লাগে না। এজন্য এক লাইন থেকে অন্য লাইনের মধ্যকার দূরত্ব বাড়ানোর জন্য Format মেনুর সাবমেনু Paragraph ক্লিক করলে Font নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এই ডায়ালগ বক্সের Spacing এর Line spacing থেকে যেকোন একটিতে (Single, 1.5 lines, Double, At least, Exactly, Multiple) ক্লিক করে OK ক্লিক করুন। তাহলেই পৃষ্ঠার এক লাইন থেকে অন্য লাইনের মধ্যকার দূরত্ব বেড়ে যাবে সেই অনুপাতে এবং পৃষ্ঠাটি আগের চেয়ে আরো সুন্দর মনে হবে।

এমএস ওয়ার্ডে লেখার পর বা আগে যদি পৃষ্ঠায় ছক বা বক্স আঁকতে চান তবে প্রথমেই যেতে হবে Format মেনুর সাবমেনু Borders and Shadingএ। এখন Borders and Shading নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এই ডায়ালগ বক্সের Borders এর Setting থেকে যেকোন একটি (Box, Shadow, 3-D, Custom) বেছে নেওয়ার পর Style থেকে যেকোন একটি লাইন বেছে নিয়ে Color থেকে পছন্দের রঙ বেছে নিয়ে Width থেকে Style থেকে বেছে নেয়া লাইনটি কতটুকু মোটা হবে তা পছন্দ করে পাশের Preview দেখে OK ক্লিক করুন। একটু আগে দেয়া Borderএর চেয়ে আরেকটু ছোট আরেকটি Borders দিতে চাইলে ক্লিক করুন Page Bordeএ। আগের মতই সবকিছু করুন।

আর Borders Page Borde উভয় ক্ষেত্রে যদি কোন বক্স বা ছক (Border I Page Border) দিতে না চান তবে Noneএ ক্লিক করে OK তে ক্লিক করুন।

এবার আসা যাক Shadingএ। এর কাজ হচ্ছে পৃষ্ঠার ভিতরের অংশে। অর্থাৎ পৃষ্ঠার মধ্যে Bacrground এর পরিবর্তে অন্য কোন রঙ দিতে চাইলে তা দিতে পারেন। এজন্য Shading এর Fill থেকে পছন্দের যেকোন রঙ বেছে নিতে পারেন। আরো অনেক রকম রঙ বেছে নিতে চাইলে More Colors থেকে এ ক্লিক করে অনেক রঙের মিশ্রণে তৈরি করতে পারেন মনের মাধুরি মেশানো রঙটি। যদি কোন কিছু না করতে চাইলে No Fill এ ক্লিক করুন। আবার রঙ বা বিভিন্ন্‌ প্রকার দাগ দিতে চাইলে Patterns এর Style থেকে যেকোন একটি বেছে নিয়ে OK তে ক্লিক করুন। আর এইরকম কোন কিছু দিতে না চাইলে Clear এ ক্লিক করুন। আর এভাবেই আগের চেয়ে অনেক সুন্দর মনে হবে পৃষ্ঠাটি।

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড - টেবিল তৈরী

ছকের মধ্যে অনেকগুলো Column এবং Row থাকে। অনেক সময় কাজের জন্য ছকের দুই বা দুইয়ের অধিক Column এবং Row কে একটিতে পরিণত করতে হয়। তখন যতটিColumn এবং Row কে একটিতে পরিণত করতে চান তা সিলেক্ট করতে হবে। সিলেক্ট করার পর Table মেনুর সাবমেনু Merge Cells এ ক্লিক করলে ছকের মধ্যে যে দাগগুলো ছিল তা মুছে যাবে এবং তা একটি বক্সে পরিণত হবে।

আবার অনেকসময় একটিColumn বা Row কে অনেকগুলো Column বা Row তে পরিণত করতে হলে প্রথমে সেই Colum বা Row টি সিলেক্ট করুন। সিলেক্ট করে Table মেনুর সাবমেনু Split Cells এ ক্লিক করলে ঝSplit Cells নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এই ডায়ালগ বক্সের i Number of columns এ কতটি কলাম এবংNumber of rows এ কতটি রো হবে তা লিখে দিয়েOK তে ক্লিক করুন।

অনেক সময় আবার কোন একটি ছককে দুইভাগে ভাগ করতে হয়। তখন ছকের যেই স্থানে ভাগ করবেন সেই স্থানে কারসর রেখে Table মেনুতে গিয়ে Split Table এ ক্লিক করলে ছকটি দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে।

ছককে অনেকভাবে সুন্দর করে সাজানোর জন্য রয়েছে Table মেনুর সাবমেনু Table Auto Format. এতে ক্লিক করলেTable Auto Format নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এই ডায়ালগ বক্সের Category থেকে যেকোন একটিতে ক্লিক করার পর Table styles এ অনেকগুলো ছকের নামসহ Preview তে নমুনা প্রদর্শিত হবে। এবার এখান থেকে যেকোন একটি ছক বেছে নিয়ে Apply special formats to থেকে সবগুলো বা আলাদা আলাদাভাবে কয়েকটিতে ক্লিক করতে পারেন। এবার OK তে ক্লিক করুন।

যদি নিজে নতুন কোন ছক তৈরি করতে চান তবে New ক্লিক করুন। এবার আরো সুন্দর করে নিজে তৈরি করুন নিজের পছন্দমত সবচেয়ে সুন্দর ছকটি। আর যদি কোন ছক পছন্দ না হয় তবে সেই নামটি সিলেক্ট করে Delete ক্লিক করুন। আর Modify ক্লিক করে তৈরিকৃত ছকও পরিবর্তন করতে পারবেন।

সবকিছু করার পর Apply এ ক্লিক করলে Insert Table নামে আগের সেই ডায়ালগ বক্সটি আসবে। পূর্বের মতই সবকিছুতে ক্লিক করার পর OK তে ক্লিক করুন।

পৃষ্ঠায় কিছু লেখার পর সেই লেখার চারদিকে যদি দাগ দেওয়ার ইচ্ছা থাকে অর্থাৎ ছকের ভেতর যদি লেখাগুলো স্থাপন করতে হয় তবে Table মেনুর সাবমেনু Convert এ গিয়ে Text to Table এ ক্লিক করুন। তাহলে Convert Text to Table নামে একটি কমান্ড বক্স আসবে। উক্ত কমান্ড বক্সের Number of Columns থেকে কয়টি Column হবে তা লিখে দিন এবং Number of Rows থেকে কয়টি Row হবে তা লিখে অন্যান্য সব কিছু করে OK তে ক্লিক করুন। আর সঙ্গে সঙ্গে লেখাটিও ছকের মধ্যে ঢুকে যাবে।

আবার লেখাকে যদি ছকমুক্ত করতে চান তবে সেই ছকগুলো সিলেক্ট করুন। এরপর Table মেনুর সাবমেনুConvert এ গিয়ে Table to Text এ ক্লিক করুন। তাহলে Convert Table to Text নামে একটি কমান্ড বক্স আসবে। উক্ত কমান্ড বক্সের Separate text with থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোন একটিতে ক্লিক করে OK তে ক্লিক করুন। তবেই লেখাটি ছকমুক্ত হবে।

ছকের মধ্যে অনেকসময় তথ্যগুলো অগোছালো থাকে। এসব তথ্য অক্ষর, নম্বর বা তারিখ অনুযায়ী সাজিয়ে রাখতে হয়ে প্রথমে তথ্যগুলো সিলেক্ট করে Table মেনুর সাবমেনু Sort এ ক্লিক করলে Sort নামে একটি কমান্ড বক্স আসবে।

উক্ত কমান্ড বক্সের Type থেকে অক্ষর, নম্বর বা তারিখ যা হবে তাতে ক্লিক করে OK তে ক্লিক করুন। তাহলেই সবকিছু ক্রমান্বয়ে সজ্জিত হয়ে যাবে।

ছকের ভেতর অনেক হিসাব-নিকাশ করা যায়। সব সংখ্যা লেখার পর ছকের শেষ ঘরে কারসর রাখুন। এবারTable মেনুর সাবমেনু Formula তে ক্লিক করুন। তাহলে Formula নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এই ডায়ালগ বক্সের Formula বক্সে লিখে দিন যা করতে হবে অথবা Paste function থেকে বেছে নিন এবং Number format থেকে যেকোন একটি স্টাইল বেছে নিন। এবার OK তে ক্লিক করুন।

এমএস ওয়ার্ডে অনেক সময় একই সাথে অনেকগুলো File খোলা রাখতে হয় কিন্তু সবগুলো File একই সাথে দেখা সম্ভব নয়। কারণ মনিটরের পর্দা বেশি বড় নয়। তবে শুধু দু’টি File একই সাথে মনিটরের পর্দায় এনে কাজ করলে কাজের এবং দেখার উভয় ক্ষেত্রেই সুবিধা হয়। এবার কাজ করবেন এমন দু’টি File Open করুন। এখন Window মেনুর সাবমেনু Arrange All G ক্লিক করলে দেখা যাবে মনিটরের পর্দা সমান দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে। এবার File দু’টির যেকোন একটি Document G মাউস দিয়ে ক্লিক করে কাজ করতে পারেন।

অনেক সময় Document এর উপরের অংশ দেখে নিচের অংশে কাজ করতে হয় বা নিচের অংশ দেখে উপরের অংশে কাজ করতে হয়। সেজন্য Scroll Bar ব্যবহার করে একবার উপরে এবং একবার নিচে এভাবে বার বার উঠানামা করতে হয়। যদি উঠানামা না করে উপরের বা নিচের অংশ Window অর্ধেক অর্ধেক করে দেখতে চান তাহলে Window মেনুর সাবমেনু Split এ ক্লিক করুন। সাথে সাথে পৃষ্ঠার উপর একটি লম্বা দাগ আসবে।

এবার মাউস দিয়ে যে স্থানে ভাগ করতে চান সেখানে বা পৃষ্ঠার মাঝামাঝি স্থানে ক্লিক করুন। তাহলেই পৃষ্ঠাটি দুই ভাগ হয়ে যাবে এবং সুবিধামত কাজ করা যাবে। আবার যদি কাজ শেষ হয়ে যায় তবে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসার জন্য Window মেনুর সাবমেনু Remove Split G ক্লিক করুন। এখন দেখা যাবে যে দাগটি পৃষ্ঠাকে দুই ভাগ করেছিল সে দাগটি অদৃশ্য হয়ে গেছে।

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড - টেবিল তৈরী

সঞ্জয় বড়ুয়া


ছকের মধ্যে অনেকগুলো Column এবং Row থাকে। অনেক সময় কাজের জন্য ছকের দুই বা দুইয়ের অধিক Column এবং Row কে একটিতে পরিণত করতে হয়। তখন যতটিColumn এবং Row কে একটিতে পরিণত করতে চান তা সিলেক্ট করতে হবে। সিলেক্ট করার পর Table মেনুর সাবমেনু Merge Cells এ ক্লিক করলে ছকের মধ্যে যে দাগগুলো ছিল তা মুছে যাবে এবং তা একটি বক্সে পরিণত হবে।

আবার অনেকসময় একটিColumn বা Row কে অনেকগুলো Column বা Row তে পরিণত করতে হলে প্রথমে সেই Colum বা Row টি সিলেক্ট করুন। সিলেক্ট করে Table মেনুর সাবমেনু Split Cells এ ক্লিক করলে ঝSplit Cells নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এই ডায়ালগ বক্সের i Number of columns এ কতটি কলাম এবংNumber of rows এ কতটি রো হবে তা লিখে দিয়েOK তে ক্লিক করুন।

অনেক সময় আবার কোন একটি ছককে দুইভাগে ভাগ করতে হয়। তখন ছকের যেই স্থানে ভাগ করবেন সেই স্থানে কারসর রেখে Table মেনুতে গিয়ে Split Table এ ক্লিক করলে ছকটি দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে।

ছককে অনেকভাবে সুন্দর করে সাজানোর জন্য রয়েছে Table মেনুর সাবমেনু Table Auto Format. এতে ক্লিক করলেTable Auto Format নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এই ডায়ালগ বক্সের Category থেকে যেকোন একটিতে ক্লিক করার পর Table styles এ অনেকগুলো ছকের নামসহ Preview তে নমুনা প্রদর্শিত হবে। এবার এখান থেকে যেকোন একটি ছক বেছে নিয়ে Apply special formats to থেকে সবগুলো বা আলাদা আলাদাভাবে কয়েকটিতে ক্লিক করতে পারেন। এবার OK তে ক্লিক করুন।

যদি নিজে নতুন কোন ছক তৈরি করতে চান তবে New ক্লিক করুন। এবার আরো সুন্দর করে নিজে তৈরি করুন নিজের পছন্দমত সবচেয়ে সুন্দর ছকটি। আর যদি কোন ছক পছন্দ না হয় তবে সেই নামটি সিলেক্ট করে Delete ক্লিক করুন। আর Modify ক্লিক করে তৈরিকৃত ছকও পরিবর্তন করতে পারবেন।

সবকিছু করার পর Apply এ ক্লিক করলে Insert Table নামে আগের সেই ডায়ালগ বক্সটি আসবে। পূর্বের মতই সবকিছুতে ক্লিক করার পর OK তে ক্লিক করুন।

পৃষ্ঠায় কিছু লেখার পর সেই লেখার চারদিকে যদি দাগ দেওয়ার ইচ্ছা থাকে অর্থাৎ ছকের ভেতর যদি লেখাগুলো স্থাপন করতে হয় তবে Table মেনুর সাবমেনু Convert এ গিয়ে Text to Table এ ক্লিক করুন। তাহলে Convert Text to Table নামে একটি কমান্ড বক্স আসবে। উক্ত কমান্ড বক্সের Number of Columns থেকে কয়টি Column হবে তা লিখে দিন এবং Number of Rows থেকে কয়টি Row হবে তা লিখে অন্যান্য সব কিছু করে OK তে ক্লিক করুন। আর সঙ্গে সঙ্গে লেখাটিও ছকের মধ্যে ঢুকে যাবে।

আবার লেখাকে যদি ছকমুক্ত করতে চান তবে সেই ছকগুলো সিলেক্ট করুন। এরপর Table মেনুর সাবমেনুConvert এ গিয়ে Table to Text এ ক্লিক করুন। তাহলে Convert Table to Text নামে একটি কমান্ড বক্স আসবে। উক্ত কমান্ড বক্সের Separate text with থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোন একটিতে ক্লিক করে OK তে ক্লিক করুন। তবেই লেখাটি ছকমুক্ত হবে।

ছকের মধ্যে অনেকসময় তথ্যগুলো অগোছালো থাকে। এসব তথ্য অক্ষর, নম্বর বা তারিখ অনুযায়ী সাজিয়ে রাখতে হয়ে প্রথমে তথ্যগুলো সিলেক্ট করে Table মেনুর সাবমেনু Sort এ ক্লিক করলে Sort নামে একটি কমান্ড বক্স আসবে।

উক্ত কমান্ড বক্সের Type থেকে অক্ষর, নম্বর বা তারিখ যা হবে তাতে ক্লিক করে OK তে ক্লিক করুন। তাহলেই সবকিছু ক্রমান্বয়ে সজ্জিত হয়ে যাবে।

ছকের ভেতর অনেক হিসাব-নিকাশ করা যায়। সব সংখ্যা লেখার পর ছকের শেষ ঘরে কারসর রাখুন। এবারTable মেনুর সাবমেনু Formula তে ক্লিক করুন। তাহলে Formula নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এই ডায়ালগ বক্সের Formula বক্সে লিখে দিন যা করতে হবে অথবা Paste function থেকে বেছে নিন এবং Number format থেকে যেকোন একটি স্টাইল বেছে নিন। এবার OK তে ক্লিক করুন।

এমএস ওয়ার্ডে অনেক সময় একই সাথে অনেকগুলো File খোলা রাখতে হয় কিন্তু সবগুলো File একই সাথে দেখা সম্ভব নয়। কারণ মনিটরের পর্দা বেশি বড় নয়। তবে শুধু দু’টি File একই সাথে মনিটরের পর্দায় এনে কাজ করলে কাজের এবং দেখার উভয় ক্ষেত্রেই সুবিধা হয়। এবার কাজ করবেন এমন দু’টি File Open করুন। এখন Window মেনুর সাবমেনু Arrange All G ক্লিক করলে দেখা যাবে মনিটরের পর্দা সমান দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে। এবার File দু’টির যেকোন একটি Document G মাউস দিয়ে ক্লিক করে কাজ করতে পারেন।

অনেক সময় Document এর উপরের অংশ দেখে নিচের অংশে কাজ করতে হয় বা নিচের অংশ দেখে উপরের অংশে কাজ করতে হয়। সেজন্য Scroll Bar ব্যবহার করে একবার উপরে এবং একবার নিচে এভাবে বার বার উঠানামা করতে হয়। যদি উঠানামা না করে উপরের বা নিচের অংশ Window অর্ধেক অর্ধেক করে দেখতে চান তাহলে Window মেনুর সাবমেনু Split এ ক্লিক করুন। সাথে সাথে পৃষ্ঠার উপর একটি লম্বা দাগ আসবে।

এবার মাউস দিয়ে যে স্থানে ভাগ করতে চান সেখানে বা পৃষ্ঠার মাঝামাঝি স্থানে ক্লিক করুন। তাহলেই পৃষ্ঠাটি দুই ভাগ হয়ে যাবে এবং সুবিধামত কাজ করা যাবে। আবার যদি কাজ শেষ হয়ে যায় তবে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসার জন্য Window মেনুর সাবমেনু Remove Split G ক্লিক করুন। এখন দেখা যাবে যে দাগটি পৃষ্ঠাকে দুই ভাগ করেছিল সে দাগটি অদৃশ্য হয়ে গেছে।

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড টিপস-1

সঞ্জয় বড়ুয়া (sonjoybabu@yahoo.com)


মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন ডকুমেন্ট তৈরি করার জন্য প্রথমে File মেনুর সাবমেনু New এ ক্লিক করুন বা কী-বোর্ড শর্টকাট Ctrl+N প্রেস করুন। তাহলে দেখা যাবে একটি সাদা পৃষ্ঠা আসবে। এবার কাজ শুরু করতে পারেন।


DOCUMENT: MS Word-এর প্রতিটি পৃষ্ঠার কাজই এক একটি Document


CLICK: Mouse-এর বাটন চাপ দেওয়াই Click



কোন কাজ করার আগে অবশ্যই পরিকল্পনা করতে হয় যাতে কাজে কোন ধরনের সমস্যা না হয়। Page Setup এই রকম একটি বিষয়। আপনি যে কাগজে Print নিতে চান ঠিক সেইরকম মাপের কাগজ তৈরি করতে হবে। আর এটাই হচ্ছে Page Setup. প্রথমে যেই কাগজে Print নিতে চান স্কেল দিয়ে সেই কাগজটির মাপ নিয়ে File মেনুর সাবমেনু Page Setupএ ক্লিক করুন। তাহলে Page Setup নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এই ডায়ালগ বক্সের Margins, Paper, Layout নামে তিনটি ভাগ থাকে। প্রথমে Margins বক্সের Margins থেকে Top, Bottom, Left, Right, Gutter, Gutter position লিখে Orientation থেকে Portrait বা Landscape বেছে নিয়ে Pages এর Multiple pages থেকে যেকোন একটি ক্লিক করে Apply to থেকে কোন স্থান হতে এই Page Setup কার্যকর হবে তা দেখিয়ে দিলে পাশে Peview দেখাবে। এবার OK তে ক্লিক করলে দেখা যাবে উক্ত পৃষ্ঠাটি সেইরকম হয়ে গেছে। আবার Paper ক্লিক করে বেছে নিতে পারেন পছন্দের যেকোন আকার বা চিঠির খামের যেকোন একটি। আর Layoutলেখা আছে Header Footer এর পরিমাপ কতটুকু হবে। সবশেষে সবকিছু লিখে Peview দেখে OK তে ক্লিক করুন।


SAVE: ComputerG Documentসংরক্ষণ করা


পৃষ্ঠায় আমরা যেসব কাজ করি তা ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করতে হয়। আর এজন্য সর্বপ্রথম কোন নতুন ডকুমেন্টে কোন কাজ করার পর File মেনুর সাবমেনু Save এ ক্লিক করুন বা কী-বোর্ড শর্টকাট Ctrl+S প্রেস করুন। এখন Save ডায়ালগ বক্স আসবে। এই ডায়ালগ বক্সের Save in থেকে কোন ড্রাইভে C:, D:, ...I:) Save করবেন সেটি দেখিয়ে দিতে হবে। এখন File name এ নাম লিখে Save বাটনে ক্লিক করুন (যেকোন নতুন ফোল্ডারে বা উক্ত ড্রাইভের যেকোন স্থানে)


FILE: Computer-এর প্রতিটি Document নাম দিয়ে সংরক্ষণ বা Save করাই হচ্ছে এক একটি File.


ইতোপূর্বে যে Fileটি কম্পিউটারে Save করলেন সেটি যদি আবার দেখতে চান তবে File মেনুর সাবমেনু Open এ ক্লিক করুন বা Ctrl+O প্রেস করুন। এখন Open নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এই ডায়ালগ বক্সের File name এ নাম লিখে Open বাটনে ক্লিক করুন (যে ফোল্ডারে বা যে ড্রাইভে রেখেছেন তা দেখিয়ে দিতে হবে Look in থেকে)

 
Design by Free WordPress Themes | Bloggerized by Lasantha - Premium Blogger Themes | Best Buy Coupons