মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০০৯

Deep Freeze দ্বারা কম্পিউটারকে রাখুন নিরাপদ

Deep Freeze একটি সফটওয়ার যেটা ইনস্টল করার মাধ্যমে আপনি আপনার কম্পিউটারের যাবতীয় ফাইল পুনরায় আগের মত দেখতে পাবেন মানে কোন কিছুই পরিবর্তন হবে না । এর ফলে আমরা অনাকাঙ্খিত ভাইরাস থেকেও মুক্তি পাবেন ।

এর সুবিধাসমূহঃ

১ . ভাইরাস থেকে c ড্রাইভ সম্পূর্নভাবে নিরাপদ থাকবে । মানে সিস্টেম ফাইলগুলো ভাইরাস থেকে মুক্তি পাবে ।

২ . অন্য কেউ আপনার কম্পিউটারে অনাকাঙ্খিত ফাইল প্রবেশ বা ডিলেট করতে পারবে না ।

ইনস্টল করার পদ্ধতিঃ

প্রথমেই আপনাকে এখান থেকে সফটওয়ারটি ডাউনলোড করতে হবে । তারপর আপনি এটি ইনস্টল করুন । এখানে যদি আপনি চান যে আপনার হার্ডডিস্কের সকল ড্রাইল এই সফটওয়ার এর অধীনে রাখবেন তাহলে সকল ড্রাইভ সিলেক্ট করাই থাকবে শুধু ইনস্টল করে নিন । সকল ড্রাইভ করলে আপনি অসুবিধায় পরতে পারেন মানে যখন আপনি কিছু কপি করে রাখবেন তা Restart কদেয়ার পরপরই চলে যাবে । তাই সবচেয়ে ভাল হয় আপনি শুধু C ড্রাইভটি ক্লিক করুন ।যাতে C ড্রাইভের অবান্চিত ফাইলগুলো পরে যায় । ইনস্টল হওয়ার পরপরই এটা সয়ংক্রিয়ভাবে Restart নিবে । পরে কম্পিউটার চালু হলে yes ক্লিক করুন । অথবা deep freeze এর ট্রাই আইকনে Shift চেপে ডাবল ক্লিক করুন এবং পাসওয়ার্ড দিন । যাতে অন্যকেউ তা আনইনস্টল করতে না পারে । ইনস্টল করা খুবই সহজ । সাধারন সফটওয়ার এর মতই এটি ইনস্টল করতে হবে ।আনইনস্টল করার পদ্ধতিঃ

deep freeze সফটওয়ারটি যেহেতু Add or Remove অপশনে পাওয়া যায় না এবং স্টার্টআপ অপশনেও খুজে পাওয়া যাবে না। তাই এটি প্রথম আপনাকে ডিসেবল করতে হবে । এটি আনইনস্টল করতে হলে আপনাকে deep freeze এর ট্রাই আইকনে Shift চেপে ডাবল ক্লিক করতে হবে । এরপর আপনার দেয়া পাসওয়ার্ডটি দিন ।
Boot Thawed অপশনটি ক্লিক করে Restart দিন । এরপর আপনাকে deep freeze ইনস্টল করার সফটওয়ারটি ডাবলক্লিক করতে হবে । পরেই তা আনইনস্টল হওয়া শুরু করবে ।


এর সিরিয়াল নম্বর হলঃ
NKQ7KD4E-MTRZ4606-6NTTCAFX-Z4APSWN4-ZS65BM43

সূত্র : http://techtunes.com.bd/internet/tune-id/9374/

ফেইসবুক স্ট্যাটাসে ট্যাগ করুন আপনার ফ্রেন্ডকে

ফেইসবুকে স্ট্যাটাসে ট্যাগিং সিস্টেম চালু হয়েছে। কাজ করছে এটা। আমি এইমাত্র ইউজ করলাম। ট্রাই করে দ্যাখেন।
কাউকে ট্যাগ করতে স্ট্যাটাসে @ লিখামাত্রই নিচের ছবির মত আসবে

এবার যাকে স্ট্যাটাসে ট্যাগ করতে চান তার নামের প্রথম অক্ষর টাইপ করুন।


ট্যাগ করার পর স্ট্যাটাস থেকে @ উঠে যাবে অটোমেটিক্যালি এবং ফ্রেন্ডের নাম হাইপারলিঙ্কড হয়ে যাবে।

স্ট্যাটাসটি আপডেট করার পর নিচের মত দেখাবেঃ


লেখাটির সূত্র : http://www.somewhereinblog.net/blog/ronybest/29010989

লিনাক্স : ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার

লিনাক্স :: একটি বিশ্বস্ত, শক্তিশালী এবং স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম (ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার)




প্রাক কথনঃ
বিশ্বজুড়ে লিনাক্স নামের শক্তিশালী এবং বিশ্বস্ত এই অপারেটিং সিস্টেমটিকে যেভাবে সবাই গ্রহণ করে নিয়েছে তা সত্যিই বিস্ময়কর। এখন ইন্টারনেট থেকে শুরু করে বড় বড় কোম্পানীর নেটওয়ার্ক সার্ভার সবই ইউনিক্স ও লিনাক্স সিস্টেমের উপরে এতোটাই নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে যে উইন্ডোজ ছাড়া পৃথিবী চললেও লিনাক্স কিংবা ইউনিক্স ছাড়া পৃথিবী অচল!

অসম্ভব রিলায়াবিলিটি, স্ট্যাবিলিটি ও শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম বলতে যা বুঝায় তার সবই আছে লিনাক্সের মাঝে, তাই এর এতো কদর। সবাই যাতে আগ্রহী হয় কিংবা অহেতুক ভয় কাটিয়ে সহজেই যেন চমৎকার এই অপারেটিং সিস্টেমটিকে ব্যবহার করতে পারে তর জন্যই এই লেখা।


লিনাক্সের সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ
লিনাক্স হচ্ছে সোর্সকোড উন্মুক্ত সম্পূর্ণ ফ্রি একটি অপারেটং সিস্টেম। যারা কম্পিউটার বিজ্ঞানের ছাত্র অথবা পাইরেসিকে নীতিগতভাবে ঘৃণা করেন তারা জানেন যে একটি সোর্সকোড উন্মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম কতটা আশীর্বাদ স্বরুপ! সোর্সকোড উন্মুক্ত, ফ্রি…এসব কথা শুনে যদি কেউ ভেবে থাকেন এটি সস্তাদরের সাধারণ অপারেটিং সিস্টেম, তাহলে বলব বোকার স্বর্গে বাস করছেন। সারা বিশ্ব লিনাক্স কে যেভাবে গ্রহণ করছে তা সত্যি চমকপ্রদ! এটা শুধুমাত্র সম্ভব হয়েছে এর প্রবল শক্তিমত্তা আর নির্ভরযোগ্যতার কারণে।
লিনাক্স তৈরী করেন লিনাস টোরভাল্ডস ১৯৯১ সালে আই ৩৮৬ প্রসেসর এর জন্য। লিনাক্স কে ইউনিক্স (http://www.unix.org/) এর ক্লোন বলা হলেও বর্তমান লিনাক্সের সাথে এর আকাশ-পাতাল ফারাক। যে ইউনিক্স থেকে লিনাক্সের জন্ম সেই ইউনিক্সের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭১ সালে। রিচার্ড স্টলম্যান নামের এক মহামানব ১৯৮৫ সালের দিকে এন্টি কপিরাইট আন্দোলন শুরু করেন তার জিএনইউ এর মাধ্যমে এবং এর ফলেই আজকে ওপেনসোর্স এতো জনপ্রিয় বা লিনাক্সের ফ্রি ডিস্ট্রিবিউশন সম্ভব হচ্ছে।
তো লিনাস টোরভাল্ডস ১৯৯১ সালের সেপ্টেম্বরে লিনাক্সের প্রথম ভার্সন ০.০১ ইন্টারনেটে রিলিজ করেন। উৎসাহীরা ভিড় জমায়, কোডগুলো ডাউনলোড করে, টেস্ট করে পরিবর্ধন করে লিনাস টোরভাল্ডসের কাছে পাঠাতে থাকে। কাজ এগিয়ে চলে, লিনাক্সের ঘাঁটিতে আসতে থাকে হাজার হাজার ফ্যান, লিনাক্স ইউজার। সারা বিশ্বের ছাত্র এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামাররা দারুণভাবে গ্রহণ করল লিনাক্স কে। সেই সাথে বের হতে থাকে লিনাক্সের বিভিন্ন ডিস্ট্রিবিউশন - রেডহ্যাট, ক্যালডেরা, ডেবিয়ান ইত্যাদি। এর পর পরই ঘটে চমকপ্রদ কিছু ঘটনা। রেডহ্যাট সফটওয়্যারের লিনাক্স ১৯৯৬ সালে সেরা অপারেটিং সিস্টেমের পুরস্কার লাভ করে ইনফোওয়ার্ল্ড ট্রেড ম্যাগাজিনের কাছ থেকে।
সে বছরের এপ্রিলেই রিসার্চাররা লস আলামাস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরীতে লিনাক্স ব্যবহার করে ৬৮টি পিসিতে সিঙ্গেল প্যারালাল প্রসেসিং ব্যবহার করে এটমিক শকওয়েভ সিমিউলেট করে। এই নিজেদের তৈরি সুপার কম্পিউটারের দাম হয় কমার্সিয়াল সুপার কম্পিউটারের তুলনায় মাত্র ১০ ভাগের ১ ভাগ। এটি প্রতি সেকেন্ডে ১৯ বিলিয়ন ক্যালকুলেশন পর্যন্ত গতি লাভ করে। তিন মাস পরেও এটিকে কখনো রিবুট করতে হয়নি, যা উইন্ডোজের ক্ষেত্রে ভাবাটা চরম নির্বুদ্ধিতা ছাড়া আর কিছুই না!!



টাক্স - লিনাক্সের লোগোঃ
লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের লোগোটি হচ্ছে একটি পেঙ্গুইন যার নাম দেয়া হয়েছে টাক্স। একেঁছিলেন ল্যারি উইং। লিনাক্সের অফিসিয়াল মাসকট হিসেবে এটি পরিচিত। লোগোটা নির্বাচনে আছে এক মজার ইতিহাস । লিনাক্সের জনক লিনাস টোরভাল্ডস অবকাশ যাপনের জন্য southern hemisphere বেড়াতে যায়। তো সেখানে একটা পেঙ্গুইন দেখে আদর করতে গেলেই পেঙ্গুইনটি দেয় কামড় টোরভাল্ডস এর হাতে। সেই স্মৃতির জের ধরেই লোগো হিসেবে পেঙ্গুইনের আবির্ভাব। লিনাক্সের এই লোগো সম্পর্কে এর স্রষ্টা লিনাস টোরভাল্ডস এর বক্তব্য অনেকটা এরকম -“অন্যান্য লোগোগুলো ছিল খুবই বোরিং এবং আমার মনের মতো ছিল না মোটেও। লিনাক্স করপোরেট লোগোর জন্য আমি খুঁজছিলাম এমন কিছু যা হবে মজার এবং লিনাক্সের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। একটা মোটাসোটা পেঙ্গুইন খাওয়াদাওয়া শেষ করে বসে আছে এমন একটা ছবি। অনেকেই আমাকে বলে লিনাক্সের যে আভিজাত্য তার সাথে এটা ঠিক খাপ খায় না। তাদের জন্য বলছি, তারা সম্ভবত চুপচাপ পেঙ্গুইনই দেখেছে, কিন্তু দেখেনি রাগী পেঙ্গুইনের ঘন্টায় ১০০ মাইল বেগে দৌড়ে আসা আক্রমণ। দেখলে তারা এধরণের মন্তব্য করার সাহস পেত না।“

লিনাক্স ব্যবহারের কারণসমূহঃ
সারা বিশ্বে লিনাক্স এখন দারুণভাবে ব্যবহার হচ্ছে। অন্যতম কারণ হচ্ছে এর সিকিউরিটি। লিনাক্স প্রচন্ড রকমের সিকিউরড। ভাইরাস আক্রমণ, হ্যাক হয়ে যাওয়া এ কথাগুলো বোধহয় লিনাক্স ইউজাররা জীবনেও শুনে নি। আরও আছে, দীর্ঘদিনের ব্যবহারের ফলে উইন্ডোজ স্লো হয়ে যায় অথচ এক ইন্সটল দিয়েই আপনি লিনাক্স চালাতে পারবেন বছরের পর বছর। আর তাছাড়াও বাইরের দেশে যেখানে হাজার হাজার টাকা দিয়ে একটি অপারেটিং সিস্টেম কিনতে হয়, তার উপর রয়েছে অন্যান্য এপ্লিকেশন কেনার খরচ, সেখানে লিনাক্সে পুরো অপারেটিং সিস্টেমের সাথে হাজারখানেক এপ্লিকেশন পাবেন ফ্রীতে। এতো খরচের হাত থেকে বাঁচতে লিনাক্স কে তখন আপনার আশীর্বাদই মনে হবে। এছাড়াও হোম ইউজার থেকে শুরু করে নেটওয়ার্ক এনভায়রনমেন্টে লিনাক্স অপরিহার্য। লিনাক্সের কয়েকটি ব্যবহারের ভেতরে রয়েছে -
এপ্লিকেশন সার্ভার, ডেটাবেজ সার্ভার, ওয়ার্কস্টেশন, এক্স টার্মিনাল ক্লায়েন্ট, নেটওয়ার্ক সার্ভার, ইন্টারনেট সার্ভার, ক্লাস্টার কম্পিউটিং, এনবেডেড সিস্টেমস, ইউনিভার্সিটি সিস্টেম, বিভিন্ন কাস্টোমাইজেবল সলিউশন যেমনঃ হোটেল, মেডিক্যাল অফিস, রিজার্ভেসন সিস্টেম, লিগ্যাল অফিস, গর্ভমেন্ট, মিডিয়া টেলিকমিউনিকেশন, আইএসপি, রিসেলার, ফাইন্যান্সিয়াল ট্রেডার ওয়ার্কস্টেশন ইত্যাদি শত শত ক্ষেত্রেই লিনাক্সের প্রয়োগ হচ্ছে সফলতার সাথে।

লিনাক্সের বিভিন্ন ডিস্ট্রিবিউশনঃ
কোরেল লিনাক্স, আর্মড লিনাক্সওয়ার্ক্স, ক্যালডেরা লিনাক্স, ডেবিয়ান, ডিএলএক্স, লিনাক্স ম্যানড্রেক, লিনাক্স পিপিসি ২০০০, লিনাক্সওয়্যার, প্লাগ এন্ড প্লে লিনাক্স, রেডহ্যাট লিনাক্স, স্ল্যাকওয়্যার, টার্বোলিনাক্স, স্টর্ম লিনাক্স, সুসে লিনাক্স, উবুন্টু লিনাক্স, ড্যাম স্মল লিনাক্স ইত্যাদি।
এর মধ্যে থেকে সার্ভার তথা নেটওয়ার্কের জন্য রেডহ্যাট এবং ডেস্কটপ কম্পিউটিং এর জন্য উবুন্টু অসম্ভব জনপ্রিয়। ইতোমধ্যেই অনেক ব্লগার উবুন্টু সম্পর্কে পোস্ট দিয়েছেন, উবুন্টু সম্পর্কে হয়তো অনেক কিছুই জেনে থাকবেন। তাই আর বিস্তারিত লিখলাম না। আর ড্যাম স্মল লিনাক্সের ব্যপারে বলবো, এটা এতোটাই ছোট একটা অপারেটিং সিস্টেম (৫০-৬০ মেগাবাইট) যে আপনি সহজেই পেন ড্রাইভে নিয়ে ঘুরতে পারবেন। যখন অপারেটিং সিস্টেম কোন কারণে নষ্ট থাকবে অথচ আপনার জরুরী কাজ করা দরকার, সেই দরকারী মুহূর্তে আপনি পেনড্রাইভ থেকে লিনাক্সের মাধ্যমে বুট করে সকল কাজই করতে পারবেন।



যেখানে পাবেন লিনাক্সঃ
এইলিঙ্কে (উবুন্টু শিপমেন্ট) ক্লিক করে অর্ডার দিলে কয়েক হপ্তার মধ্যই আপানার বাসায় এসে পৌছে যাবে লিনাক্সের সিডি। এর জন্য কোন টাকা পয়সা দিতে হবে না। এছাড়াও আপনার যদি নেট স্পিড ভাল থাকে তাহলে নেট থেকে আইএসও ইমেজটা ডাউনলোড করে রাইট করে নিলেই হবে।

ইন্সটলেশনঃ
এ ব্যাপারটা নিয়ে বিস্তারিত লেখার ইচ্ছা থাকলেও লেখার আকৃতি বড় হয়ে যাওয়ার ভয়ে লিখছি না। তবে নিচে ব্লগার ভাইদের পোস্ট করা কিছু কিছু পোস্ট দিলাম। চিত্র সহ বর্ণনা করা আছে। কম্পিউটিং এর বেসিক ধারণা থাকলেই যে কেউ সহজে ইন্সটল করতে পারবেন লিনাক্স। এখানে উবুন্টুকে ডিফল্ট ধরে কাজ করা হয়েছে -
১. সহজ পার্টিশন
২.সহজ ইন্সটল
৩. লিনাক্সের উপর উইন্ডোজ ইনস্টল করার গ্রাব পুনরুদ্ধার [পোস্ট ইন্সটলেশন হেল্প]
৪. পিপিপিওই (PPPoE) ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ চালু
৫. উবুন্টুতে গ্রামীণফোন ইন্টারনেট সংযোগ (লেটেস্ট উবুন্টু Interpid Ibex এ গ্রামীনফোন, একটেল ও বাংলালিঙ্ক এর নেটওয়ার্ক সেটাপ করা যায় মাত্র কয়েক ক্লিকেই)
৬. উবুন্টুতে ডায়াল-আপ ইন্টার্নেট সংযোগ স্থাপন
৭.উবুন্টুতে বাংলা ভাষা সমর্থন এবং বাংলা কী-বোর্ড সেট-আপ



ব্যবহারঃ
লিনাক্সের চোখ ধাঁধানো গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস দেখলে যে কেউ মুগ্ধ হবে। কিছু কিছু জিনিষ আছে যেগুলো লিখে প্রকাশ করা যায় না। নিজের চোখে দেখে বিশ্বাস করতে হয়। লিনাক্সের ডেক্সটপ কেমন তা দেখতে চাইলে নিচের ভিডিওটি দেখতে পারেন (সৌজন্যঃ ব্লগার টেকনো)। আশা করি, এরপর আপনার উইন্ডোজ কে রঙবিহীন একটা খেলনা ছাড়া আর কিছুই মনে হবে না। এটা দেখুন -
http://www.youtube.com/watch?v=_ImW0-MgR8I
এছাড়াও যারা স্ক্রিনশট দেখতে চান নিচের লিঙ্কটা পরখ করে দেখতে পারেন -
এখানে ক্লিক করুন
আপনার লিনাক্স ডেক্সটপটাকে এমন বানাতে চাইলে ব্লগার রোকনের বাংলায় টিউটোরিয়াল পাবেন এখানে -

সহজিয়া উবুন্টু শিক্ষা ১
সহজিয়া উবুন্টু শিক্ষা ২

অনেকেই বলতে পারেন, "অনেকতো বকলেন, এখন বলেন উইন্ডোজে যেসব সফটওয়্যার পেতাম সেগুলো এখন পাবো কই?"
সমাধান এখানে-
ব্লগার টেকনোর পোস্ট - Windows সফটওয়্যার এর লিনাক্স একুইভালেন্ট/অল্টারনেটিভ শেষপর্ব
সেই সাথে লিনাক্সের নিজস্ব হাজারখানেক সফটওয়্যার পাবেন ইন্সটলের সাথে (ডিস্ট্রিবিউশন ভেদে ভিন্নতা আসতে পারে)।

শেষের কথাঃ
সারা বিশ্বে লিনাক্সের ব্যবহার দ্রুত বেড়ে চললেও বাংলাদেশে এই গতি খুবই মন্থর। লিনাক্সের শক্তিশালী ক্ষমতার কারণে বাইরে ছাত্র, শিক্ষক, পেশাজীবি সকলেই লিনাক্স কে আপন করে নিচ্ছে। ভবিষ্যতের এই অপারেটিং সিস্টেমটিকে যদি এখনই শিখে নিতে পারেন তাহলে আগামী দিনের জন্য প্রস্তুত থাকবেন। এছাড়াও ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে লিনাক্স শিক্ষাটা আপনার জন্য প্লাস পয়েন্ট হতে পারে।
লিনাক্সের আগমন আমাদেরকে দিয়েছে ডিজিটাল মুক্তি। আমরা এখন কোন গোষ্ঠির (Microsoft) কাছে জিম্মি নই। যে কেউ চাইলে লিনাক্স কে নিজের মতো করে তৈরী করে নিতে পারে। পরিবর্তন, পরিবর্ধনে বাঁধা নেই। তাই লিনাক্স আজ আমাদের সকলের স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম, যারা চাই প্রযুক্তি ও মেধাকে বিকশিত করতে, চাই সবার সাথে অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে।



সূত্র: http://www.somewhereinblog.net/blog/norokerpapiblog/28878838

লিনাক্স : ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার

লিনাক্স :: একটি বিশ্বস্ত, শক্তিশালী এবং স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম (ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার)



প্রাক কথনঃ
বিশ্বজুড়ে লিনাক্স নামের শক্তিশালী এবং বিশ্বস্ত এই অপারেটিং সিস্টেমটিকে যেভাবে সবাই গ্রহণ করে নিয়েছে তা সত্যিই বিস্ময়কর। এখন ইন্টারনেট থেকে শুরু করে বড় বড় কোম্পানীর নেটওয়ার্ক সার্ভার সবই ইউনিক্স ও লিনাক্স সিস্টেমের উপরে এতোটাই নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে যে উইন্ডোজ ছাড়া পৃথিবী চললেও লিনাক্স কিংবা ইউনিক্স ছাড়া পৃথিবী অচল!

অসম্ভব রিলায়াবিলিটি, স্ট্যাবিলিটি ও শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম বলতে যা বুঝায় তার সবই আছে লিনাক্সের মাঝে, তাই এর এতো কদর। সবাই যাতে আগ্রহী হয় কিংবা অহেতুক ভয় কাটিয়ে সহজেই যেন চমৎকার এই অপারেটিং সিস্টেমটিকে ব্যবহার করতে পারে তর জন্যই এই লেখা।


লিনাক্সের সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ
লিনাক্স হচ্ছে সোর্সকোড উন্মুক্ত সম্পূর্ণ ফ্রি একটি অপারেটং সিস্টেম। যারা কম্পিউটার বিজ্ঞানের ছাত্র অথবা পাইরেসিকে নীতিগতভাবে ঘৃণা করেন তারা জানেন যে একটি সোর্সকোড উন্মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম কতটা আশীর্বাদ স্বরুপ! সোর্সকোড উন্মুক্ত, ফ্রি…এসব কথা শুনে যদি কেউ ভেবে থাকেন এটি সস্তাদরের সাধারণ অপারেটিং সিস্টেম, তাহলে বলব বোকার স্বর্গে বাস করছেন। সারা বিশ্ব লিনাক্স কে যেভাবে গ্রহণ করছে তা সত্যি চমকপ্রদ! এটা শুধুমাত্র সম্ভব হয়েছে এর প্রবল শক্তিমত্তা আর নির্ভরযোগ্যতার কারণে।
লিনাক্স তৈরী করেন লিনাস টোরভাল্ডস ১৯৯১ সালে আই ৩৮৬ প্রসেসর এর জন্য। লিনাক্স কে ইউনিক্স (http://www.unix.org/) এর ক্লোন বলা হলেও বর্তমান লিনাক্সের সাথে এর আকাশ-পাতাল ফারাক। যে ইউনিক্স থেকে লিনাক্সের জন্ম সেই ইউনিক্সের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭১ সালে। রিচার্ড স্টলম্যান নামের এক মহামানব ১৯৮৫ সালের দিকে এন্টি কপিরাইট আন্দোলন শুরু করেন তার জিএনইউ এর মাধ্যমে এবং এর ফলেই আজকে ওপেনসোর্স এতো জনপ্রিয় বা লিনাক্সের ফ্রি ডিস্ট্রিবিউশন সম্ভব হচ্ছে।
তো লিনাস টোরভাল্ডস ১৯৯১ সালের সেপ্টেম্বরে লিনাক্সের প্রথম ভার্সন ০.০১ ইন্টারনেটে রিলিজ করেন। উৎসাহীরা ভিড় জমায়, কোডগুলো ডাউনলোড করে, টেস্ট করে পরিবর্ধন করে লিনাস টোরভাল্ডসের কাছে পাঠাতে থাকে। কাজ এগিয়ে চলে, লিনাক্সের ঘাঁটিতে আসতে থাকে হাজার হাজার ফ্যান, লিনাক্স ইউজার। সারা বিশ্বের ছাত্র এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামাররা দারুণভাবে গ্রহণ করল লিনাক্স কে। সেই সাথে বের হতে থাকে লিনাক্সের বিভিন্ন ডিস্ট্রিবিউশন - রেডহ্যাট, ক্যালডেরা, ডেবিয়ান ইত্যাদি। এর পর পরই ঘটে চমকপ্রদ কিছু ঘটনা। রেডহ্যাট সফটওয়্যারের লিনাক্স ১৯৯৬ সালে সেরা অপারেটিং সিস্টেমের পুরস্কার লাভ করে ইনফোওয়ার্ল্ড ট্রেড ম্যাগাজিনের কাছ থেকে।
সে বছরের এপ্রিলেই রিসার্চাররা লস আলামাস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরীতে লিনাক্স ব্যবহার করে ৬৮টি পিসিতে সিঙ্গেল প্যারালাল প্রসেসিং ব্যবহার করে এটমিক শকওয়েভ সিমিউলেট করে। এই নিজেদের তৈরি সুপার কম্পিউটারের দাম হয় কমার্সিয়াল সুপার কম্পিউটারের তুলনায় মাত্র ১০ ভাগের ১ ভাগ। এটি প্রতি সেকেন্ডে ১৯ বিলিয়ন ক্যালকুলেশন পর্যন্ত গতি লাভ করে। তিন মাস পরেও এটিকে কখনো রিবুট করতে হয়নি, যা উইন্ডোজের ক্ষেত্রে ভাবাটা চরম নির্বুদ্ধিতা ছাড়া আর কিছুই না!!



টাক্স - লিনাক্সের লোগোঃ
লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের লোগোটি হচ্ছে একটি পেঙ্গুইন যার নাম দেয়া হয়েছে টাক্স। একেঁছিলেন ল্যারি উইং। লিনাক্সের অফিসিয়াল মাসকট হিসেবে এটি পরিচিত। লোগোটা নির্বাচনে আছে এক মজার ইতিহাস । লিনাক্সের জনক লিনাস টোরভাল্ডস অবকাশ যাপনের জন্য southern hemisphere বেড়াতে যায়। তো সেখানে একটা পেঙ্গুইন দেখে আদর করতে গেলেই পেঙ্গুইনটি দেয় কামড় টোরভাল্ডস এর হাতে। সেই স্মৃতির জের ধরেই লোগো হিসেবে পেঙ্গুইনের আবির্ভাব। লিনাক্সের এই লোগো সম্পর্কে এর স্রষ্টা লিনাস টোরভাল্ডস এর বক্তব্য অনেকটা এরকম -“অন্যান্য লোগোগুলো ছিল খুবই বোরিং এবং আমার মনের মতো ছিল না মোটেও। লিনাক্স করপোরেট লোগোর জন্য আমি খুঁজছিলাম এমন কিছু যা হবে মজার এবং লিনাক্সের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। একটা মোটাসোটা পেঙ্গুইন খাওয়াদাওয়া শেষ করে বসে আছে এমন একটা ছবি। অনেকেই আমাকে বলে লিনাক্সের যে আভিজাত্য তার সাথে এটা ঠিক খাপ খায় না। তাদের জন্য বলছি, তারা সম্ভবত চুপচাপ পেঙ্গুইনই দেখেছে, কিন্তু দেখেনি রাগী পেঙ্গুইনের ঘন্টায় ১০০ মাইল বেগে দৌড়ে আসা আক্রমণ। দেখলে তারা এধরণের মন্তব্য করার সাহস পেত না।“

লিনাক্স ব্যবহারের কারণসমূহঃ
সারা বিশ্বে লিনাক্স এখন দারুণভাবে ব্যবহার হচ্ছে। অন্যতম কারণ হচ্ছে এর সিকিউরিটি। লিনাক্স প্রচন্ড রকমের সিকিউরড। ভাইরাস আক্রমণ, হ্যাক হয়ে যাওয়া এ কথাগুলো বোধহয় লিনাক্স ইউজাররা জীবনেও শুনে নি। আরও আছে, দীর্ঘদিনের ব্যবহারের ফলে উইন্ডোজ স্লো হয়ে যায় অথচ এক ইন্সটল দিয়েই আপনি লিনাক্স চালাতে পারবেন বছরের পর বছর। আর তাছাড়াও বাইরের দেশে যেখানে হাজার হাজার টাকা দিয়ে একটি অপারেটিং সিস্টেম কিনতে হয়, তার উপর রয়েছে অন্যান্য এপ্লিকেশন কেনার খরচ, সেখানে লিনাক্সে পুরো অপারেটিং সিস্টেমের সাথে হাজারখানেক এপ্লিকেশন পাবেন ফ্রীতে। এতো খরচের হাত থেকে বাঁচতে লিনাক্স কে তখন আপনার আশীর্বাদই মনে হবে। এছাড়াও হোম ইউজার থেকে শুরু করে নেটওয়ার্ক এনভায়রনমেন্টে লিনাক্স অপরিহার্য। লিনাক্সের কয়েকটি ব্যবহারের ভেতরে রয়েছে -
এপ্লিকেশন সার্ভার, ডেটাবেজ সার্ভার, ওয়ার্কস্টেশন, এক্স টার্মিনাল ক্লায়েন্ট, নেটওয়ার্ক সার্ভার, ইন্টারনেট সার্ভার, ক্লাস্টার কম্পিউটিং, এনবেডেড সিস্টেমস, ইউনিভার্সিটি সিস্টেম, বিভিন্ন কাস্টোমাইজেবল সলিউশন যেমনঃ হোটেল, মেডিক্যাল অফিস, রিজার্ভেসন সিস্টেম, লিগ্যাল অফিস, গর্ভমেন্ট, মিডিয়া টেলিকমিউনিকেশন, আইএসপি, রিসেলার, ফাইন্যান্সিয়াল ট্রেডার ওয়ার্কস্টেশন ইত্যাদি শত শত ক্ষেত্রেই লিনাক্সের প্রয়োগ হচ্ছে সফলতার সাথে।

লিনাক্সের বিভিন্ন ডিস্ট্রিবিউশনঃ
কোরেল লিনাক্স, আর্মড লিনাক্সওয়ার্ক্স, ক্যালডেরা লিনাক্স, ডেবিয়ান, ডিএলএক্স, লিনাক্স ম্যানড্রেক, লিনাক্স পিপিসি ২০০০, লিনাক্সওয়্যার, প্লাগ এন্ড প্লে লিনাক্স, রেডহ্যাট লিনাক্স, স্ল্যাকওয়্যার, টার্বোলিনাক্স, স্টর্ম লিনাক্স, সুসে লিনাক্স, উবুন্টু লিনাক্স, ড্যাম স্মল লিনাক্স ইত্যাদি।
এর মধ্যে থেকে সার্ভার তথা নেটওয়ার্কের জন্য রেডহ্যাট এবং ডেস্কটপ কম্পিউটিং এর জন্য উবুন্টু অসম্ভব জনপ্রিয়। ইতোমধ্যেই অনেক ব্লগার উবুন্টু সম্পর্কে পোস্ট দিয়েছেন, উবুন্টু সম্পর্কে হয়তো অনেক কিছুই জেনে থাকবেন। তাই আর বিস্তারিত লিখলাম না। আর ড্যাম স্মল লিনাক্সের ব্যপারে বলবো, এটা এতোটাই ছোট একটা অপারেটিং সিস্টেম (৫০-৬০ মেগাবাইট) যে আপনি সহজেই পেন ড্রাইভে নিয়ে ঘুরতে পারবেন। যখন অপারেটিং সিস্টেম কোন কারণে নষ্ট থাকবে অথচ আপনার জরুরী কাজ করা দরকার, সেই দরকারী মুহূর্তে আপনি পেনড্রাইভ থেকে লিনাক্সের মাধ্যমে বুট করে সকল কাজই করতে পারবেন।



যেখানে পাবেন লিনাক্সঃ
এইলিঙ্কে (উবুন্টু শিপমেন্ট) ক্লিক করে অর্ডার দিলে কয়েক হপ্তার মধ্যই আপানার বাসায় এসে পৌছে যাবে লিনাক্সের সিডি। এর জন্য কোন টাকা পয়সা দিতে হবে না। এছাড়াও আপনার যদি নেট স্পিড ভাল থাকে তাহলে নেট থেকে আইএসও ইমেজটা ডাউনলোড করে রাইট করে নিলেই হবে।

ইন্সটলেশনঃ
এ ব্যাপারটা নিয়ে বিস্তারিত লেখার ইচ্ছা থাকলেও লেখার আকৃতি বড় হয়ে যাওয়ার ভয়ে লিখছি না। তবে নিচে ব্লগার ভাইদের পোস্ট করা কিছু কিছু পোস্ট দিলাম। চিত্র সহ বর্ণনা করা আছে। কম্পিউটিং এর বেসিক ধারণা থাকলেই যে কেউ সহজে ইন্সটল করতে পারবেন লিনাক্স। এখানে উবুন্টুকে ডিফল্ট ধরে কাজ করা হয়েছে -
১. সহজ পার্টিশন
২.সহজ ইন্সটল
৩. লিনাক্সের উপর উইন্ডোজ ইনস্টল করার গ্রাব পুনরুদ্ধার [পোস্ট ইন্সটলেশন হেল্প]
৪. পিপিপিওই (PPPoE) ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ চালু
৫. উবুন্টুতে গ্রামীণফোন ইন্টারনেট সংযোগ (লেটেস্ট উবুন্টু Interpid Ibex এ গ্রামীনফোন, একটেল ও বাংলালিঙ্ক এর নেটওয়ার্ক সেটাপ করা যায় মাত্র কয়েক ক্লিকেই)
৬. উবুন্টুতে ডায়াল-আপ ইন্টার্নেট সংযোগ স্থাপন
৭.উবুন্টুতে বাংলা ভাষা সমর্থন এবং বাংলা কী-বোর্ড সেট-আপ



ব্যবহারঃ
লিনাক্সের চোখ ধাঁধানো গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস দেখলে যে কেউ মুগ্ধ হবে। কিছু কিছু জিনিষ আছে যেগুলো লিখে প্রকাশ করা যায় না। নিজের চোখে দেখে বিশ্বাস করতে হয়। লিনাক্সের ডেক্সটপ কেমন তা দেখতে চাইলে নিচের ভিডিওটি দেখতে পারেন (সৌজন্যঃ ব্লগার টেকনো)। আশা করি, এরপর আপনার উইন্ডোজ কে রঙবিহীন একটা খেলনা ছাড়া আর কিছুই মনে হবে না। এটা দেখুন -
http://www.youtube.com/watch?v=_ImW0-MgR8I
এছাড়াও যারা স্ক্রিনশট দেখতে চান নিচের লিঙ্কটা পরখ করে দেখতে পারেন -
এখানে ক্লিক করুন
আপনার লিনাক্স ডেক্সটপটাকে এমন বানাতে চাইলে ব্লগার রোকনের বাংলায় টিউটোরিয়াল পাবেন এখানে -

সহজিয়া উবুন্টু শিক্ষা ১
সহজিয়া উবুন্টু শিক্ষা ২

অনেকেই বলতে পারেন, "অনেকতো বকলেন, এখন বলেন উইন্ডোজে যেসব সফটওয়্যার পেতাম সেগুলো এখন পাবো কই?"
সমাধান এখানে-
ব্লগার টেকনোর পোস্ট - Windows সফটওয়্যার এর লিনাক্স একুইভালেন্ট/অল্টারনেটিভ শেষপর্ব
সেই সাথে লিনাক্সের নিজস্ব হাজারখানেক সফটওয়্যার পাবেন ইন্সটলের সাথে (ডিস্ট্রিবিউশন ভেদে ভিন্নতা আসতে পারে)।

শেষের কথাঃ
সারা বিশ্বে লিনাক্সের ব্যবহার দ্রুত বেড়ে চললেও বাংলাদেশে এই গতি খুবই মন্থর। লিনাক্সের শক্তিশালী ক্ষমতার কারণে বাইরে ছাত্র, শিক্ষক, পেশাজীবি সকলেই লিনাক্স কে আপন করে নিচ্ছে। ভবিষ্যতের এই অপারেটিং সিস্টেমটিকে যদি এখনই শিখে নিতে পারেন তাহলে আগামী দিনের জন্য প্রস্তুত থাকবেন। এছাড়াও ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে লিনাক্স শিক্ষাটা আপনার জন্য প্লাস পয়েন্ট হতে পারে।
লিনাক্সের আগমন আমাদেরকে দিয়েছে ডিজিটাল মুক্তি। আমরা এখন কোন গোষ্ঠির (Microsoft) কাছে জিম্মি নই। যে কেউ চাইলে লিনাক্স কে নিজের মতো করে তৈরী করে নিতে পারে। পরিবর্তন, পরিবর্ধনে বাঁধা নেই। তাই লিনাক্স আজ আমাদের সকলের স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম, যারা চাই প্রযুক্তি ও মেধাকে বিকশিত করতে, চাই সবার সাথে অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে।



সূত্র:

ফেসবুকে ফিল্টারিং

ফেসবুকে এখন কম বেশী সবাই আসক্ত। আমার আসক্তির পরিমানটা বোধহয় একটু বেশী। ফেসবুকে আমার বন্ধুর সংখ্যা ৩০০ এর উপরে। এতো বন্ধু থাকাটা একদিক থেকে সুবিধার আরেকদিক থেকে ঝামেলারও। সুবিধা বলতে অনেকেই অনেক কিছু শেয়ার করে, সেখান থেকে কিছু শিখতে পারি, জানতে পারি, ভালোলাগাটা শেয়ার করা যায়। অসুবিধা বলতে এতো বেশী স্ট্যাটাস আপডেট আসে যে হিজিবিজি হয়ে যায়। প্রিয়জনদের স্ট্যাটাস আপডেট খুঁজে পাওয়াই কঠিন হয়ে পড়ে।
আগে মাঝে মাঝে ভাবতাম, এমন যদি হতো -

-ক্লোজ ফ্রেন্ডদের স্ট্যাটাস আপডেট একটা গ্রুপে পাবো
-সামুর বন্ধুদের স্ট্যাটাস আপডেট একটা গ্রুপে ক্লিক করে পাবো
-অফিসের কলিগদের স্ট্যাটাস আপডেট একটা গ্রুপে ক্লিক করা মাত্রই পাবো


জিনিষটা ভাগ ভাগ হয়ে গেলে সবার সাথে যোগাযোগটাও যেমন বৃদ্ধি পেতো আবার অনেক অনাকাঙ্খিত জিনিষও ফিল্টার করা যেত !!

আজকে এই ট্রিকটা নিয়েই লিখছি যে, কিভাবে আপনার বন্ধুদের ফিল্টার করবেন তাদের কে না জানিয়েই ! ! !



ধাপ ১:
হোম এ গিয়ে সর্ববামদিকের প্যানেলের নিচে "Create" এ ক্লিক করুন-



ধাপ ২:
গ্রুপটির একটি নাম দিন, যেমনঃ People I care about or Close Friends or Family or Blog Friends etc
ধরুন নামটা People I care about



ধাপ ৩:
এবার বন্ধু সিলেকশনের পালা। এই গ্রুপে কাকে কাকে রাখতে চাচ্ছেন তা নাম টাইপ করে-



অথবা স্ক্রল করে সিলেক্ট করতে থাকুন-



ধাপ ৪:
সিলেকশন করার পর ওকে করে গ্রুপটি তৈরি হয়ে গেল-



ধাপ ৫:
এবার সেই গ্রুপটিকে ড্র্যাগ করে একদম উপরে নিয়ে আসুন-



এখন থেকে People I care about এর নিউজ ফিডগুলো আসা শুরু করবে এবং বাকীগুলো ফিল্টার হয়ে যাবে।

এভাবে নিচের ছবির মতো বিভিন্ন গ্রুপ করে সেইগুলোতে ক্লিক করুন



গ্রুপ অনুযায়ী ফিড পাবেন।

হ্যাপি ফেসবুকিং ! ! !

সূত্র: http://www.somewhereinblog.net/blog/norokerpapiblog/28972781

লিংক, লিংক, চাই আরো ব্যাক-লিংক

সার্চ-ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলোর একটি হচ্ছে ব্যাক-লিংক বা ইনবাউণ্ড লিংক। একই সাইটের ভেতরের পেইজগুলোর মধ্যে যে আভ্যন্তরীন লিংক থাকে, সেগুলোকে বলে "ইন্টারনাল লিংক"। একটি সাইট থেকে অন্য সাইটের যে লিংক থাকে, সেগুলো হচ্ছে "এক্সটারনাল লিংক" - যা আমাদের এই পোষ্টের আলোচ্য বিষয়।

এক্সটারনাল লিংক আবার কয়েক ধরনের হয়, যেমন - রিসিপ্রোক্যাল লিংক, ওয়ান ওয়ে লিংক ইত্যাদি। ক এবং খ দুটো সাইটের দুটো থেকেই যদি দুটোর সাথে লিংক থাকে, সেটাকে বলে রিসিপ্রোক্যাল লিংক। কিন্তু শুধু মাত্র ক থেকে খ-য়ের দিকে যদি লিংক থাকে এবং খ থেকে ক-য়ের দিকে কোন লিংক না থাকে, তাহলে খ-য়ের জন্য সেটা ওয়ান ওয়ে ব্যাক-লিংক। সাধারনত ব্যাক-লিংক বলতে আমরা এই ওয়ান ওয়ে ব্যাক-লিংককেই বুঝি। সার্চ-ইঞ্জিন অপটিমাইজারদের প্রতিনিয়ত চিন্তা করতে হয় তার সাইটের জন্য কিভাবে এবং কত বেশী পরিমানে ভালো মানের ওয়ান ওয়ে ব্যাকলিংক পাওয়া যায়।

ব্যাক-লিংক কেনো এত গুরুত্বপূর্ণ? সার্চ-ইঞ্জিন যে ফ্যাক্টরগুলোর উপর ভিত্তি করে ঠিক করে যে, কোন একটি বিষয়ের সার্চ-রেজাল্টে কোন সাইটটির নাম আগে দেখাবে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ব্যাক-লিংক। কোন সাইটের যত বেশী ব্যাক-লিংক থাকবে, সেই সাইটটি তত বেশী গুরুত্ব পাবে। প্রতিটি ব্যাক-লিংক একটি করে ভোট হিসেবে গণ্য হবে।

আবার শুধু ব্যাকলিংক হলেই হবে না, সেগুলো হতে হবে অবশ্যই ডু-ফলো - অর্থাৎ সেগুলো সার্চ-ইঞ্জিন ক্রলার দারা ক্রল-যোগ্য হতে হবে। ব্যাক-লিংক যত বেশী মানসম্পন্ন হবে ততই প্লাস পয়েন্ট। মানসম্পন্ন ব্যাক-লিংক কি? লিংক যত বেশী সমবিষয়ের সাইট থেকে আসবে, সেটার মান তত বেশী হবে। আপনার রেসিপি সাইটে কোন একটি খেলার সাইট থেকে আসা ব্যাক-লিংকের চেয়ে অন্য একটি রেসিপি সাইট থেকে আসা লিংকের মান হবে অনেক বেশী।

যে শব্দ বা বাক্যটিতে লিংকটি দেয়া থাকে সেটাকে বলে "এ্যাঙ্কর টেক্সট"। আপনার সাইটে আসা ব্যাক-লিংকটির এ্যাঙ্কর টেক্সটটিতে যদি আপনার সাইটের কি-ওয়ার্ডটি থাকে, সেটার মান তখন আরো বেশী হবে। সার্চ-ইঞ্জিন তখন আরো নিশ্চিত হবে যে আপনার সাইটটি সেই বিষয়ের সাথে সংগতিপূর্ণ।

মানসম্পন্ন লিংকের আরেকটি গুণ হলো সেটি যে পেইজটি থেকে আসছে সেই পেইজটির পেইজরেঙ্ক। যত উচ্চ মানের পেইজরেঙ্ক থেকে লিংক আসবে, লিংকটির মান ততই বেশী হবে। এছাড়াও .org, .edu, .gov - এই সাইটগুলো থেকে আসা ব্যাক-লিংককে সার্চ-ইঞ্জিন কমার্শিয়াল সাইটগুলোর তুলনায় অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে থাকে।

সুতরাং আপনার সাইটটিকে সার্চ-ইঞ্জিন রেঙ্কিং-এর সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাইলে আপনার টার্গেট হতে হবে - কত বেশী সমবিষয়ের সাইটের কত বেশী পেইজরেঙ্ক সম্পন্ন পেইজ থেকে কত বেশী ব্যাক-লিংক পাওয়া যায়। যত বেশি মানসম্পন্ন ব্যাক-লিংক, তত বেশী সাফল্য। সুতরাং লেগে পড়ুন এখন থেকেই।

সূত্র: http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/28989856

লিংক, লিংক, চাই আরো ব্যাক-লিংক

সার্চ-ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলোর একটি হচ্ছে ব্যাক-লিংক বা ইনবাউণ্ড লিংক। একই সাইটের ভেতরের পেইজগুলোর মধ্যে যে আভ্যন্তরীন লিংক থাকে, সেগুলোকে বলে "ইন্টারনাল লিংক"। একটি সাইট থেকে অন্য সাইটের যে লিংক থাকে, সেগুলো হচ্ছে "এক্সটারনাল লিংক" - যা আমাদের এই পোষ্টের আলোচ্য বিষয়।

এক্সটারনাল লিংক আবার কয়েক ধরনের হয়, যেমন - রিসিপ্রোক্যাল লিংক, ওয়ান ওয়ে লিংক ইত্যাদি। ক এবং খ দুটো সাইটের দুটো থেকেই যদি দুটোর সাথে লিংক থাকে, সেটাকে বলে রিসিপ্রোক্যাল লিংক। কিন্তু শুধু মাত্র ক থেকে খ-য়ের দিকে যদি লিংক থাকে এবং খ থেকে ক-য়ের দিকে কোন লিংক না থাকে, তাহলে খ-য়ের জন্য সেটা ওয়ান ওয়ে ব্যাক-লিংক। সাধারনত ব্যাক-লিংক বলতে আমরা এই ওয়ান ওয়ে ব্যাক-লিংককেই বুঝি। সার্চ-ইঞ্জিন অপটিমাইজারদের প্রতিনিয়ত চিন্তা করতে হয় তার সাইটের জন্য কিভাবে এবং কত বেশী পরিমানে ভালো মানের ওয়ান ওয়ে ব্যাকলিংক পাওয়া যায়।

ব্যাক-লিংক কেনো এত গুরুত্বপূর্ণ? সার্চ-ইঞ্জিন যে ফ্যাক্টরগুলোর উপর ভিত্তি করে ঠিক করে যে, কোন একটি বিষয়ের সার্চ-রেজাল্টে কোন সাইটটির নাম আগে দেখাবে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ব্যাক-লিংক। কোন সাইটের যত বেশী ব্যাক-লিংক থাকবে, সেই সাইটটি তত বেশী গুরুত্ব পাবে। প্রতিটি ব্যাক-লিংক একটি করে ভোট হিসেবে গণ্য হবে।

আবার শুধু ব্যাকলিংক হলেই হবে না, সেগুলো হতে হবে অবশ্যই ডু-ফলো - অর্থাৎ সেগুলো সার্চ-ইঞ্জিন ক্রলার দারা ক্রল-যোগ্য হতে হবে। ব্যাক-লিংক যত বেশী মানসম্পন্ন হবে ততই প্লাস পয়েন্ট। মানসম্পন্ন ব্যাক-লিংক কি? লিংক যত বেশী সমবিষয়ের সাইট থেকে আসবে, সেটার মান তত বেশী হবে। আপনার রেসিপি সাইটে কোন একটি খেলার সাইট থেকে আসা ব্যাক-লিংকের চেয়ে অন্য একটি রেসিপি সাইট থেকে আসা লিংকের মান হবে অনেক বেশী।

যে শব্দ বা বাক্যটিতে লিংকটি দেয়া থাকে সেটাকে বলে "এ্যাঙ্কর টেক্সট"। আপনার সাইটে আসা ব্যাক-লিংকটির এ্যাঙ্কর টেক্সটটিতে যদি আপনার সাইটের কি-ওয়ার্ডটি থাকে, সেটার মান তখন আরো বেশী হবে। সার্চ-ইঞ্জিন তখন আরো নিশ্চিত হবে যে আপনার সাইটটি সেই বিষয়ের সাথে সংগতিপূর্ণ।

মানসম্পন্ন লিংকের আরেকটি গুণ হলো সেটি যে পেইজটি থেকে আসছে সেই পেইজটির পেইজরেঙ্ক। যত উচ্চ মানের পেইজরেঙ্ক থেকে লিংক আসবে, লিংকটির মান ততই বেশী হবে। এছাড়াও .org, .edu, .gov - এই সাইটগুলো থেকে আসা ব্যাক-লিংককে সার্চ-ইঞ্জিন কমার্শিয়াল সাইটগুলোর তুলনায় অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে থাকে।

সুতরাং আপনার সাইটটিকে সার্চ-ইঞ্জিন রেঙ্কিং-এর সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাইলে আপনার টার্গেট হতে হবে - কত বেশী সমবিষয়ের সাইটের কত বেশী পেইজরেঙ্ক সম্পন্ন পেইজ থেকে কত বেশী ব্যাক-লিংক পাওয়া যায়। যত বেশি মানসম্পন্ন ব্যাক-লিংক, তত বেশী সাফল্য। সুতরাং লেগে পড়ুন এখন থেকেই।

সূত্র: http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/28989856

নামহীন ফোল্ডার তৈরী করুন

এটা খুবই পুরনো টিপস। তারপরেও মজার টিপসটি সবার জন্য দিলাম। সাধারণত আমরা কোন Folder তৈরী করলে তাতে কোন না কোন নাম দিতে হয়। নাহলে Default Name হিসেবে New Folder হিসেবে Save হয়।

নামছাড়া ফোল্ডার তৈরী করতে প্রথমে যে কোন ড্রাইভে একটা ফোল্ডার তৈরী করুন। এখন সাথে সাথেই কী-বোর্ড এ Alt Key চেপে ধরে 0160 চাপুন। এন্টার দিন। দেখবেন নামহীন একটা ফোল্ডার তৈরী হয়ে গেছে। আসলে অল্টার কী এবং ০১৬০ একসাথে চাপলে কম্পিউটারে একটা ASCII Code তৈরী হয় যা Invisible.

উইন্ডোজের হাইবারনেশন


উইন্ডোজ এমই অপারেটিং সিস্টেমে হাইবারনেশন (শীতনিদ্রা) নামে একটি চমৎকার সুবিধা আছে। এ ফিচারটি উইন্ডোজকে বন্ধ করার বা আবার চালু করার (রিস্টার্ট) প্রক্রিয়াকে দ্রুত করেছে। তবে এটি হাইবারনেশনের মূল বৈশিষ্ট্য নয়। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো, এটি কম্পিউটার বন্ধ বা পুনরায় চালু (রিস্টার্ট) করার সময় ডেস্কটপের সর্বশেষ অবস্থাটি র‌্যাম থেকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভে কপি করে রাখে। আর যেহেতু হার্ডডিস্ক র‌্যামের মতো অস্থায়ী তথ্যভান্ডার নয় তাই কম্পিউটার বন্ধ করে দিলেও সর্বশেষ অবস্থার স্নৃতি রয়ে যায় হার্ডডিস্কে। ধরুন, যদি এমএস ওয়ার্ডে কাজ করতে করতে কম্পিউটার বন্ধ (শাট ডাউন) করে দেন, তবে পরেরবার কম্পিউটার চালু করলে ঠিক আগের অবস্থায় দেখতে পাবেন ওয়ার্ডের ফাইলটিকে। এমনকি কার্সরটি পর্যন্ত যেখানে ছিল, সেখান থেকে একচুলও নড়বে না। এই হচ্ছে হাইবারনেশনের ক্যারিশমা!
হাইবারনেশনের সঙ্গেই একটি দারুণ সুবিধা যোগ করেছে মাইক্রোসফট, সেটি হলো বায়োসের সংস্করণ, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও চালক সফটওয়্যারে (ড্রাইভার) শনাক্ত করার ক্ষমতা। ফলে উইন্ডোজ এমই ইনস্টল হওয়ার সময়ই সেটি দেখে নেয় বায়োসের উপাদান বা ড্রাইভার হালনাগাদ করা আছে কি না। পাওয়ার ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে সেটি খাপ খাচ্ছে কি না তা-ও দেখে নেয়। ফলে কোনো সমস্যা হলে কম্পিউটার অস্িথতিশীল হয়ে পড়ে না। বরং উইন্ডোজ এমই ইনস্টলেশনের সময় হাইবারনেশন সুবিধাটি নিষ্কিত্র্নয় করে দেওয়া হয়। ফলে অধিকাংশ কম্পিউটার ব্যবহারকারীই তাঁদের শাট ডাউন মেনুতে হাইবারনেশন নামে কোনো কিছু খুঁজে পান না।
তবে একই সঙ্গে পাওয়ার ম্যানেজমেন্টে একটি সমস্যাও রয়ে গেছে। সেটি হলো শাট ডাউন সমস্যা। উইন্ডোজ ৯৮-এর দ্বিতীয় সংস্করণে এ সমস্যাটি প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছিল। সমস্যাটির কারণে প্রায়ই দেখা যেত, উইন্ডোজ থেকে কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করার নির্দেশ ঠিকই পাঠানো হয়েছে, তবে সেটা বায়োসে পৌঁছায়নি বা বায়োস তা গ্রহণ করেনি। ফলে কম্পিউটারের কাজ থেমে গেছে বা হ্যাং হয়েছে। আসলে এ সমস্যাটি উইন্ডোজ ৯* সিরিজের সাধারণ সমস্যা, উইন্ডোজ এমইকেও এ সমস্যা থেকে মুক্ত করা যায়নি। সাধারণত ব্র্যান্ড কম্পিউটার এ সমস্যা থেকে মুক্ত। সমস্যা ঘটে যখন ব্যবহারকারীরা নিজে উইন্ডোজ এমই ইনস্টল করেন। মাঝেমধ্যে সেটআপের পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট নিষ্কিত্র্নয় করে দিলে এ সমস্যা থেকে বাঁচা যায়। তবে সব সময় এ বুদ্ধি কাজে দেবে, এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না।

সূত্র: প্রথম আলো

উইন্ডোজের হাইবারনেশন

উইন্ডোজ এমই অপারেটিং সিস্টেমে হাইবারনেশন (শীতনিদ্রা) নামে একটি চমৎকার সুবিধা আছে। এ ফিচারটি উইন্ডোজকে বন্ধ করার বা আবার চালু করার (রিস্টার্ট) প্রক্রিয়াকে দ্রুত করেছে। তবে এটি হাইবারনেশনের মূল বৈশিষ্ট্য নয়। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো, এটি কম্পিউটার বন্ধ বা পুনরায় চালু (রিস্টার্ট) করার সময় ডেস্কটপের সর্বশেষ অবস্থাটি র‌্যাম থেকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভে কপি করে রাখে। আর যেহেতু হার্ডডিস্ক র‌্যামের মতো অস্থায়ী তথ্যভান্ডার নয় তাই কম্পিউটার বন্ধ করে দিলেও সর্বশেষ অবস্থার স্নৃতি রয়ে যায় হার্ডডিস্কে। ধরুন, যদি এমএস ওয়ার্ডে কাজ করতে করতে কম্পিউটার বন্ধ (শাট ডাউন) করে দেন, তবে পরেরবার কম্পিউটার চালু করলে ঠিক আগের অবস্থায় দেখতে পাবেন ওয়ার্ডের ফাইলটিকে। এমনকি কার্সরটি পর্যন্ত যেখানে ছিল, সেখান থেকে একচুলও নড়বে না। এই হচ্ছে হাইবারনেশনের ক্যারিশমা!
হাইবারনেশনের সঙ্গেই একটি দারুণ সুবিধা যোগ করেছে মাইক্রোসফট, সেটি হলো বায়োসের সংস্করণ, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও চালক সফটওয়্যারে (ড্রাইভার) শনাক্ত করার ক্ষমতা। ফলে উইন্ডোজ এমই ইনস্টল হওয়ার সময়ই সেটি দেখে নেয় বায়োসের উপাদান বা ড্রাইভার হালনাগাদ করা আছে কি না। পাওয়ার ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে সেটি খাপ খাচ্ছে কি না তা-ও দেখে নেয়। ফলে কোনো সমস্যা হলে কম্পিউটার অস্িথতিশীল হয়ে পড়ে না। বরং উইন্ডোজ এমই ইনস্টলেশনের সময় হাইবারনেশন সুবিধাটি নিষ্কিত্র্নয় করে দেওয়া হয়। ফলে অধিকাংশ কম্পিউটার ব্যবহারকারীই তাঁদের শাট ডাউন মেনুতে হাইবারনেশন নামে কোনো কিছু খুঁজে পান না।
তবে একই সঙ্গে পাওয়ার ম্যানেজমেন্টে একটি সমস্যাও রয়ে গেছে। সেটি হলো শাট ডাউন সমস্যা। উইন্ডোজ ৯৮-এর দ্বিতীয় সংস্করণে এ সমস্যাটি প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছিল। সমস্যাটির কারণে প্রায়ই দেখা যেত, উইন্ডোজ থেকে কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করার নির্দেশ ঠিকই পাঠানো হয়েছে, তবে সেটা বায়োসে পৌঁছায়নি বা বায়োস তা গ্রহণ করেনি। ফলে কম্পিউটারের কাজ থেমে গেছে বা হ্যাং হয়েছে। আসলে এ সমস্যাটি উইন্ডোজ ৯* সিরিজের সাধারণ সমস্যা, উইন্ডোজ এমইকেও এ সমস্যা থেকে মুক্ত করা যায়নি। সাধারণত ব্র্যান্ড কম্পিউটার এ সমস্যা থেকে মুক্ত। সমস্যা ঘটে যখন ব্যবহারকারীরা নিজে উইন্ডোজ এমই ইনস্টল করেন। মাঝেমধ্যে সেটআপের পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট নিষ্কিত্র্নয় করে দিলে এ সমস্যা থেকে বাঁচা যায়। তবে সব সময় এ বুদ্ধি কাজে দেবে, এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না।

সূত্র: প্রথম আলো

 
Design by Free WordPress Themes | Bloggerized by Lasantha - Premium Blogger Themes | Best Buy Coupons