বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১০

এক ঠিকানা থেকে অন্য ঠিকানাতে মেইল ইমপোর্ট করা

বিভিন্ন কারণে এক ইমেইলের মেইল অন্য মেইলে নেবার প্রয়োজন হয়। জনপ্রিয় মেইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ইয়াহু, জিমেইল, হটমেইল ইত্যাদির মধ্যে মেইল ট্রান্সফারের উপায় দিবো।
অন্য মেইল থেকে জিমেইলে: পপ৩ সমর্থিত মেইল ঠিকানাগুলো থেকে জিমেইলে মেইল আনা যায়। এজন্য যে ঠিকানা থেকে মেইল আনতে চান সেই মেইলে লগইন করে পপ সক্রিয় করুন। এবার জিমেইল লগইন করে Settings থেকে Accounts ট্যাবে গিয়ে Add a mail account you own এ ক্লিক করুন। এবার টেক্সট বক্সে পুরাতন ইমেইল ঠিকানা লিখে Next Step বাটনে ক্লিক করুন। এখানে ইউজার, পাসওয়ার্ড, পপ সার্ভার, পোর্ট ঠিকমত লিখে (সয়ংক্রিয়বাবে চলে আসবে) Add Account এ ক্লিক করুন। এবার Yes, I want to be able to send mail as.... অপশন চেক রেখে Next Steps বাটনে ক্লিক করুন। এখানে একাউন্টের নাম লিখে Next Steps বাটনে ক্লিক করুন। এবার Send Verification বাটনে ক্লিক করলে পুরাতন মেইল ঠিকানাতে ভেরিফিকেশন কোড মেইল আসবে। উক্ত ভেরিফিকেশন কোড এখানে লিখে Verify বাটনে ক্লিক করলে একাউন্টটি উক্ত যুক্ত হবে এবং আগের মেইলের মেইলগুলো চলে আসবে। এভাবে আপনি আরো পপ৩ সমর্থিত মেইল ঠিকানার মেইল জিমেইলে আনতে পারবেন। এভাবে মেইল ঠিকানা যুক্ত হবার ফলে জিমেইল থেকে উক্ত ঠিকানা ব্যবহার করে মেইল পাঠাতেও পারবেন।
নতুন জিমইলে: সমপ্রতি খোলা জিমেইলেগুলোতে মেইল এবং ঠিকানা ইমপোর্ট করার সুবিধা রয়েছে যা পুরাতন জিমেইলগুলোতে নেই। এজন্য জিমেইলে লগইন করে Settings থেকে Accounts and Import ট্যাবে যান। এবার Import mail and contacts বাটনে ক্লিক করে Step 1 এ যে মেইল থেকে মেইল এবং ঠিকানা আনতে চান তা লিখে Continue বাটনে ক্লিক করুন। পরবর্তি উইন্ডোতে ইমইেলের পাসওয়ার্ড লিখে Continue বাটনে ক্লিক করুন। এবার Step 2 তে অপশন নির্বাচন করে Start Import বাটনে ক্লিক করুন। এখন Step 3 তে OK করুন পরবর্তি ২৪-৪৮ ঘন্টার মধ্যে উক্ত মেইলের সকল মেইল নতুন ঠিকানাতে চলে আসবে। এভাবে আপনি পপ৩ সমর্থিত Yahoo!, Hotmail, AOL থেকে মেইল আনতে পারবেন।
সাধারণত ইয়াহু প্লাসে পপ৩ সুবিধা থাকে সেক্ষেত্রে সাধারণ ইয়াহু ব্যবহারকারীরা জিমেইলে মেইল ট্রান্সফার করতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে নতুন একটি হটমেইল একাউন্ট খুলে নিন্মাক্ত পদ্ধতিতে ইয়াহু থেকে হটমেইলে এবং পরে হটমেইল থেকে জিমেইলে মেইল ট্রান্সফার করা যাবে।
জিমেইলের মেইল কম্পিউটারে ব্যাকআপ এবং রিস্টোর করা: জিমেইলের মেইল ব্যাকআপ বা রিস্টোর করা যাবে জিমেইল-ব্যাকআপ সফটওয়্যারের সাহায্যে। ৪.৩৫ মেগাবাইটের ফ্রি এই সফটওয়্যারটি http://www.gmail-backup.com থেকে ডাউনলোড করে ইনষ্টল করে নিন। এবার সফটওয়্যারটি চালু করে জিমেইলের ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড দিন এবং কোথায় ব্যাকআপ রাখবেন তা Directory বাটনে ক্লিক করে নির্দিষ্ট ফোল্ডার দেখিয়ে দিন। এখন Backup বাটনে ক্লিক করলে (Newest emails only চেক করা থাকলে) নতুন আসা মেইলগুলো ডাউনলোড হতে থাকবে। আপনি চাইলে Newest emails only চেক তুলে নির্দিষ্ট তারিখের রেঞ্জ নির্ধারণ করে দিতে পারেন। আপনি যদি কোন ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করা মেইল আপলোড বা রিষ্টোর করতে চান তাহলে জিমেইলের ঠিকানা, পাসওয়ার্ড এবং ব্যাকআপ ফোল্ডার দেখিয়ে Restore বাটনে ক্লিক করলেই হবে।
আউটলুক এবং থান্ডারবার্ড থেকে গুগল এ্যাপসে: নিজস্ব ডোমেইনে গুগল এ্যাপসের মেইলে Google Email Uploader সফটওয়্যার দ্বারা মেইল ক্লাইন্ট আউটলুক এবং থান্ডারবার্ডের মেইল সহজেই আপলোড করা যায়। এজন্য Click This Link থেকে ৫৩৪ কিলোবাইটের সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন। সফটওয়্যারটি চালাতে মাইক্রোসফট ডটনেট ২.০ প্রয়োজন হবে। এবার সফটওয়্যারটি চালু করে গুগল এ্যাপসের ইউজার-পাসওয়ার্ড দ্বারা লগইন করুন তাহলে আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল থাকা আউটলুক এবং থান্ডারবার্ডের মেইল সংখ্যা দেখাবে। এখন মেইল (ফোল্ডার) নির্বাচন করে Next করুন। এবার ফোল্ডারের নামে লেবেল হিসাবে মেইলগুলো রাখতে চান কি না তার জন্য Create Labels from Folder Name চেক অথবা আনচেক করে Upload বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে কিছুক্ষণের মধ্যে মেইলগুলো আপলোড হবে। যদি কোন কারনে মেইল আপলোড বন্ধ করেন বা বন্ধ হয়ে যায় পরবর্তিতে চালু করলের বন্ধ হওয়া পর্যন্ত যে মেইলগুলো আপলোড করা হয়েছিলো তার পর থেকে আপলোড হবে। আপনি যদি পপ৩ মেইলগুলো আউটলুক বা থান্ডারবার্ডে ডাউনলোড করেন তাহলে এভাবে সেগুলোও আপলোড করতে পারবেন।
অন্য মেইল থেকে ইয়াহুতে: অন্যকোন মেইল (Windows Live/Hotmail Gmail, AOL ইত্যাদি) থেকে ইয়াহু! মেইলে মেইল আনা যায়। এজন্য https://secure5.trueswitch.com/yahoo এই ঠিকানাতে যান এবং যে ইয়াহুতে মেইলগুলো আনতে চান তার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা লগইন করুন। এবার পরবর্তি পেজে I Agree বাটনে ক্লিক করে পরবর্তি পেজে যে মেইল থেকে মেইলগুলো আনতে চান তা লিখে ডোমেইন নির্বাচন করে পাসওয়ার্ড দিন এবং চাইলে অনান্য অপশন নির্বাচন করে Start Transfer বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে ভেরিফিকেশন শুরু হবে এবং শেষ হলে পরবর্তি ২৪ ঘন্টার ভিতরে সমস্তকিছু ট্রান্সফার হবে মর্মে ম্যাসেজ দেবে।
অন্য মেইল থেকে উইন্ডোজ লাইভে (হটমেইল/লাইভ): অন্যকোন মেইল (Yahoo!, Gmail, AOL ইত্যাদি) থেকে মেইল আনতে হলে https://secure5.trueswitch.com/winlive এই ঠিকানাতে যান এবং I have read, understand and agree বাটন চেক করে Begin বাটনে ক্লিক করুন। এবার COPY FROM থেকে যে মেইলের মেইল আনতে চান তা নির্বাচন করে ইমেইল ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড দিন। এবার ডানে COPY TO WINDOWS LIVE HOTMAIL অংশে লাইভ/হটমেইলের ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড লিখে Continue বাটনে ক্লিক করুন। এবার প্রয়োজনীয় অপশন বাটনগুলো নির্বাচন করে Submit বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে পরবর্তি ২৪ ঘন্টার মধ্যে পুরানো মেইলের মেইলগুলো মেইল ঠিকানাসহ আপনার নতুন মেইলে চলে আসবে। এছাড়াও পূর্বের মেইলে থাকা মেইল ঠিকানাগুলোতে নতুন মেইল ঠিকানা খোলের ঘোষণা সয়ংক্রিয়ভাবে চলে যাবে।

Source : http://www.shamokaldarpon.com/?p=1344

জেনুইন করুন আপনার প্রায় সকল প্রকার উইন্ডোজ



মোটামুটি অনেকদিন যাবত কোন বিষয় নিয়ে পোষ্ট দেয়া দূরের কথা, ব্লগেই ভালোভাবে আসা হয়নি। বৃষ্টিস্নাত এবং ভুমিকম্পময় ভয়াবহ একটি ঈদের ব্যস্ততা, নিজের অসুস্থতা ইত্যাদি ইত্যাদি মিলিয়ে এক বিতিকিচ্ছিরি অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। অবশেষে ব্লগে আজ থেকে ভালোভাবে ফিরলাম। এবং সেই সাথে ভাবলাম, আমার অর্ধশত(!)তম পোষ্টটি একটি বাটপারি মার্কা পোষ্ট হউক। এবং তাই হল। দেখি, মাইক্রোসফটের সাথে আমরা কেমন বাটপারি করতে পারি!!! :P :P :P

আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহারকারী, তাদের বেশিরভাগই ব্যবহার করে থাকি মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিষ্টেম উইন্ডোজগুলোর থেকে যেকোন একটি কিংবা দুইটি। অনেকে আবার লিনাক্স ব্যবহার করে থাকেন।

আমরা প্রায় সবাই পাইরেটেড উইন্ডোজ ব্যবহার করে থাকি, যদিও এটি করা উচিৎ নয়। কারণ, অরিজিনাল উইন্ডোজ কিনতে গেলে আমাদের প্রায় অনেকেরই হয়তো ফতুর হওয়ার অবস্থা হবে। দেখা যায়, একটি কম্পিউটার কিনতে যত টাকা ব্যয় করা হয়, তার চাইতে বেশি টাকা ব্যয় করতে হয় এক অপারেটিং সিষ্টেম কেনার জন্য। এটা অনেকেরই কেনার সামর্থ্য নেই এবং এটাই স্বাভাবিক। তার ওপর যেহেতু আমাদের পাইরেটেড জিনিস কেনার এবং ব্যবহার করার সুযোগ আছে, সেহেতু অনেক টাকা ব্যয় করে অরিজিনাল জিনিসই বা কিনতে চায় কয়জন?

তবে এইসব পাইরেটেড উইন্ডোজ যে জেনুইন হবে না, এটা বলাই বাহুল্য। এবং এগুলো জেনুইন থাকে না জন্য এগুলোতে মাইক্রোসফটের বেশিরভাগ সফটওয়্যারই চালানো যায় না এবং উইন্ডোজ আপডেট করা যায় না। এছাড়া আরও অনেক ব্যাপার-স্যাপার তো আছেই। কাজেই আমরা অনেকেই কঠিন রকমের বাটপারি(!) করে আমাদের উইন্ডোজটি জেনুইন করে নিই। অনেকে হয়তো অনেকরকমভাবে তাদের উইন্ডোজ জেনুইন করে থাকেন। এই ব্লগেও অনেক পোষ্ট আছে উইন্ডোজ জেনুইন করা নিয়ে। অনেকরকম পদ্ধতিও আছে। পোষ্টগুলোর বেশিরভাগই এক্সপি নিয়ে। ভিসতার একটাও আমি খুঁজে পাইনি(থাকতেও পারে)। উইন্ডোজ সেভেনেরও একটা কঠিন রকমের পোষ্ট খুঁজে পেয়েছিলাম। সেই পোষ্টটি খুব সম্ভবতঃ উইন্ডোজ আর লিনাক্স এক করে ফেলেছিল। কারণ, গাদা গাদা কমান্ডের ব্যাপার ছিল সেই পোষ্টে। সেটা উইন্ডোজের সাথে খুব একটা মানানসই হচ্ছিল না।

যাই হোক, বাজে প্যাচাল রেখে এবার আসল কথাগুলি বলি।
আমি আপনাদের সম্মুখে এবার উইন্ডোজ এক্সপি, ভিসতা এবং সেভেন খুব সহজভাবে জেনুইন করার পদ্ধতিটা দেখাতে চাই। আশা করছি, আপনাদের ভালো লাগবে। ;) ;) :) :P



উইন্ডোজ এক্সপি
=============================================
প্রথমে এই লিংক থেকে "Windows XP Activator" নামক ১.১৬ কিলোবাইট সাইজের জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোড করা হয়ে গেলে ফাইলটি আনজিপ করুন।


আনজিপ করার পর ফোল্ডারটি ওপেন করলে দুইটি ফাইল দেখতে পাবেন। একটি রেজিষ্ট্রি ফাইল এবং আরেকটি টেক্সট ফাইল। আপনার এক্সপি জেনুইন করার পদ্ধতিও দুইটি।


প্রথম পদ্ধতিঃ



আপনার ডাউনলোডকৃত "উইন্ডোজ এক্সপি অ্যাকটিভেটর" নামক ফোল্ডারটিতে "Add Licence To Your Windows" নামক রেজিষ্ট্রি ফাইলটি ওপেন করুন। ওপেন হলে "Yes" বাটন চাপুন এবং তারপর "OK" বাটন চাপুন। অতঃপর কম্পিউটার রিষ্টার্ট দিন। ব্যস, হয়ে গেলো আপনার উইন্ডোজ এক্সপিটি জেনুইন!!!!


দ্বিতীয় পদ্ধতিঃ

আপনি যখন এক্সপি ইনষ্টল করবেন, তখন ইনষ্টল করার সময় যে সিরিয়াল চায়, সে স্থানে যদি ডাউনলোডকৃত ফোল্ডারটিতে এই "Windows XP Key" নামক টেক্সট ফাইলে যে সিরিয়ালটি আছে সেটি ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার এক্সপি জেনুইন হিসেবেই ইনষ্টল হবে। আলাদা কোন কষ্ট করে আপনার এক্সপিকে জেনুইন বানাতে হবে না।



উইন্ডোজ ভিসতা
=============================================
সবার প্রথমে এই লিংক থেকে "Windows Vista Activator" নামক ১.২১ মেগাবাইট সাইজের জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোড হয়ে গেলে ফাইলটি আনজিপ করে নিন।


আনজিপ করার পর ফোল্ডারটি ওপেন করে দেখুন, "activation" নামে একটি ফাইল আছে। ফাইলটি ওপেন করুন।


ফাইলটি ওপেন হলে যে উইন্ডোটি আসবে, সেটার "Continue" বাটনে চাপ দিন।


তারপর যে উইন্ডোটি আসবে, সেটা থেকে আপনার পিসিতে ভিসতার যে ভার্সনটি ইনষ্টল করেছেন সেই ভার্সনটি সিলেক্ট করুন।


ভার্সনটি সিলেক্ট করে "Continue" বাটনটি চাপুন।


কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন এবং তারপর দেখুন, আপনাকে উপরের ছবিটির মত একটি উইন্ডো দেখাচ্ছে। "OK" বাটনটি চাপুন।


তারপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন এবং দেখুন, একটি উইন্ডো চলে এসেছে। "Finish" বাটনটি চাপুন। আপনার কম্পিউটার নিজে থেকেই রিষ্টার্ট হবে।


রিষ্টার্ট হবার পর দেখুন, আপনার উইন্ডোজ জেনুইন হিসেবে অ্যাকটিভেটেড দেখাচ্ছে!!! :) :)


বিঃদ্রঃ আপনি যখন ভিসতা অ্যাকটিভেট করবেন, তখন অনুগ্রহ করে আপনি যে ডিভিডি থেকে ভিসতা ইনষ্টল করেছেন, সেটি ডিভিডি ড্রাইভে প্রবেশ করিয়ে রাখুন। নয়তো আপনার অ্যাকটিভেশন কমপ্লিট হবে না।


ডিভিডি ড্রাইভে ভিসতার ডিভিডি না থাকলে তখন এরকম একটি উইন্ডো দেখাবে। ডিভিডি প্রবেশ করিয়ে "Continue" চাপুন। কম্পিউটার রিষ্টার্ট হয়ে গেলে তারপর ডিভিডিটি বের করে ফেলুন।

উল্লেখ্য, অনেকভাবে ভিসতা জেনুইন করা যায়। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই দেখা যায়, ২-৩ মাস ব্যবহার করার পর ভিসতাটি নিজে থেকেই তার জেনুইনিটি হারায়। আবার অ্যাকটিভেট করতে চাইলেও হয় না। কিন্তু এই ফাইল থেকে ভিসতা অ্যাকটিভেট করলে আপনার ভিসতা কখনোই তার জেনুইনিটি হারাবে না। সবসময়ই জেনুইন হয়ে থাকবে। :)




উইন্ডোজ সেভেন
=============================================
প্রথমে এই লিংক থেকে "Windows 7 All PlusPatch 10.0" নামক ১০ মেগাবাইট সাইজের জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করে আনজিপ করে নিন।


যে উইন্ডোটি আসবে, সেখানকার "Yes" বাটনটি চাপুন।


এবার যে উইন্ডোটি আপনি দেখছেন, সেই উইন্ডোতে দেখুন, "Active all Edition 32bit" নামক একটি বাটন আছে। সেটিতে ক্লিক করুন।


কিছুসময় অপেক্ষা করুন এবং তারপর এরকম একটি উইন্ডো দেখতে পাবেন। যেকোন কি প্রেস করুন।


আপনার কম্পিউটার নিজে থেকেই রিষ্টার্ট হবে কিংবা আপনি রিষ্টার্ট দিন। তারপর দেখুন, আপনার উইন্ডোজ সেভেন জেনুইন হয়ে গিয়েছে!!

বিঃদ্রঃ এই নিয়ম শুধুমাত্র "Windows 7 RC1, Service pack1" এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এবং এই নিয়মে উইন্ডোজ সেভেন জেনুইন করতে গেলে আপনাকে নিচের সিরিয়ালটি দিয়ে সেভেন ইনষ্টল করতে হবে।

সিরিয়ালটি হলঃ 9JBBV-7Q7P7-CTDB7-KYBKG-X8HHC
---------------------------------------------------------------------------------

Source : http://www.somewhereinblog.net/blog/nirjhor2009/29018669

টরেন্ট কি এবং কিভাবে টরেন্ট দিয়ে ডাওনলোড করা হয়

প্রথমেই যারা টরেন্ট সম্মন্ধে জানেন তাদের কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আর যারা জানেন না তাদের জন্যই এই পোষ্ট।

বর্তমানে ফাইল শেয়ার এর জন্য জনপ্রিয় মাধ্যম হলো টরেন্ট। কি নেই এখানে? আপনি যা চাইবেন তার সব কিছুই পাবেন টরেন্ট এর মাধ্যমে। গেমস, মুভি, মিউজিক ভিডিও, সফটওয়ার আরো কত কি।

প্রথমেই জেনে নিই কয়েকটি শব্দার্থ যা টরেন্ট এ ব্যাবহার করা হয়।

Torrent কি : P2P ফাইল শেয়ার ।
P2P কি : Peer 2 Peer .
Peer কি : যে একি সময়ে ডাওনলোড ও আপলোড করে।
Seeds কি: যে আপলোড করে।
Client কি : যে সফটওয়ারের মাধ্যমে টরেন্ট ডাওনলোড করা হয়।
Tracker কি : যে সার্ভারে টরেন্ট ফাইলটা রাখা হয় অর্থাৎ ট্র্যাকার হলো মাধ্যম।

বুঝতেই পারছেন টরেন্ট দিয়ে যে ফাইলটা নামাবেন সেটার নিজস্ব কোন সার্ভার নেই। সে ফাইলটা আসছে আপনার মতই কারো পিসি থেকে। আপনি যখন কোন ফাইল ডাওনলোড করবেন, ঠিক একই সময় সে ফাইলের ডাওনলোড করা অংশ টুকু অন্য একজন আপনার পিসি থেকে নিতে থাকবে, যেমনটা আপনি ওর পিসি থেকে নামাচ্ছেন।

টরেন্ট এর ডাওনলোডের গতি শুধু আপনার নেটের গতির উপর নির্ভর করে না। ধরে নিচ্ছি আপনার ১ মেগা ব্রড ব্র্যান নেট কানেকশন আছে। আপনার নরমাল ডাওনলোড গতি হওয়া উচিৎ ১০০ কেবি থেকে ১৫০ কেবি। কিন্তু আপনি টরেন্ট সে গতি নাও পেতে পারেন। যত বেশী Seeds ও Peers পাবেন তত বেশী গতি পাবেন ডাওনলোড এ। Seeds ও Peers রা যদি স্লো গতির নেট ইউজ করে, তাহলেও আপনি ডাওনলোড গতি বেশী পাবেন না।

অন্য দিকে আপনি একজন বা দুইজন Seeds ও Peers পেয়েছেন, তাদের নেটের গতি বেশী হলে Seeds ও Peers কম হওয়া সত্বেও আপনি ডাওনলোড গতি ভাল পাবেন।

যাই হোক এবার আসি কিভাবে ডাওনলোড করবো।

টরেন্ট ডাওনলোড করার আগে কয়েকটা কথা আপনাকে মনে রাখতে হবে। যেহেতো ফাইলগুলো অন্য কোন ইউজারের পিসি থেকে আসছে, তার পিসিতে ভাইরাস থাকলে সে ফাইলের সাথে আপনার পিসিতেও ভাইরাস আক্রমন করতে পারে। তাই সতর্ক থাকুন।

১/ ভাল এন্টিভাইরাস সফটওয়ার ব্যাবহার করুন।
২/ এন্টি ভাইরাস নিয়মিত আপডেট করুনএবং সে সময় এন্টিবাইরাস এনাবল রাখুন।
৩/ টরেন্ট ফাইলের সাথে দেয়া সন্দেহজনক কোন সাইট এ যাবেন না। কারন সে সাইট গুলোতে ভাইরাস থাকে। (সব ফাইলে থাকে না)
৪/ আপনার প্রয়োজনীয় ফাইলটা ছারা অন্য ফাইলে ডাবল ক্লিক করবেন না। এন্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করে সন্দেহ মুক্ত হতে পারেন।
৫/ ফাইলটা পুরোপুরি ডাওনলোড হওয়া না পর্যন্ত রিনেম বা মুভ করবেন না।
৬/ মুভি ফাইল গুলো অনেক সময় অর্ধেক ডাওনলোড হলে প্লে করা যায়, এ ক্ষেত্রে অনেক সময় প্লে করলে সে ফাইলটা করাপ্ট হয়ে যায় এবং পরে আর ডাওনলোড হয় না।

যাই হোক এবার আসি কিভাবে টরেন্ট ডাওনলোড করা হয়।

প্রথমেই আপনাকে ডাওনলোড করতে হবে টরেন্ট ক্লাইন্ট। অনেক ক্লাইন্ট পাওয়া যায় এবং এগুলোর প্রায় সব গুলাই ফ্রি।
ধরে নিচ্ছি আপনি টরেন্ট ক্লাইন্ট হিসেবে Utorrent ব্যাবহার করছেন। তুলনামূলক হিসেবে Utorrent ফাইল সাইজে ছোট এবং এটা ইনষ্টল করতে Java এর প্রয়োজন নেই। ডাওনলোড করতে এখানে ঘুরে আসুন।

এবার আপনাকে আপনার কাঙ্খিত ফাইল পেতে যে কোন ট্র্যাকারের সাইটে যেতে হবে।
নিচে কয়েকটা ট্র্যাকারের নাম দেয়া হল:

http://thepiratebay.org/
http://isohunt.com/
http://www.mininova.org/
http://www.torrentreactor.net/

আরো অনেক Tracker আছে, গুগলে সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন। আরো সহজ পদ্ধতি দেই। প্রয়োজনীয় ফাইল আপনি আরো সহজেই খুজতে পারেন সরাসরি গুগলের মাধ্যমেই, আপনি যে ফাইলটা চান সে ফাইলের শেষে একটা স্পেস দিয়ে torrent লিখে গুগলে সার্চ দিন। বিভিন্ন Tracker থেকে গুগল আপনাকে সে ফাইলটা খুজে দিবে।

টরেন্ট ফাইল সার্চ দিলে অনেক গুলো ফাইল আসবে, আপনি সেখান থেকে প্রয়োজনীয় ফাইলে ক্লিক করুন। ছবি নিচে।


এবার ডাওনলোড করুন।


ফাইলে ক্লিক করলে অপশন আসবে কি করবেন বা কোন সফটওয়ারের মাধ্যমে সে ফাইলটা ওপেন করবেন।
যেমন ফায়ারফক্সে আসবে


IE তে আসবে-


ফাইলটা ডাওনলোড শেষ হলে এবার সিলেক্ট করুন টরেন্ট ক্লাইন্ট সফটওয়ার। অথবা Save করে রেখে দিতে পারেন পিসিতে। পরে সুযোগ বুঝে ডাওনলোড করতে পারনে।

এখানে আপনি ফাইলটা কোথায় সেইভ করবেন সেটা সিলেক্ট করতে পারবেন। ডিফল্ট হিসেবে মাই ডকুমেন্ট এ সেইভ হবে। সে টরেন্ট ফাইলে কি কি ফাইল আছে, সো করবে, যে ফাইলটা দরকার সেটাতে মার্ক বহাল রাখতে পারেন, আর না চাইলে উঠিয়ে দিতে পারেন।

এবার ডাওনলোড শুরু হবে। যেমনটা আগেই বলেছি Seeds বা Peers বেশী হলে ডাওনলোডের গতি বেশী পাবেন। আর কম হলে গতি কম পাবেন। সেখানে ট্র্যাকারের নাম ও দেখতে পাবেন।



আরো কিছু ট্র্যাকারের লিষ্ট আছে এখানে

যারা লিনাক্স ইউজার, তারা আমড়া কাঠের ঢেকি'র এই পোষ্ট দেখতে পারেন

Source : http://www.somewhereinblog.net/blog/Nazirblog/28937149

নিজেই তৈরী করুন নতুন বছরের ই-কার্ড



সামনে আসছে নতুন বছর। আর এই সময় আমরা সরাসরি সাক্ষাৎ কিংবা গিফট দেয়ার বদলে বেশী প্রধান্য দিই ই-মেইল, ই-কার্ড কিংবা এস এম এম পাঠাতে (টাকা বাছানোর ফন্দি আর কি !!!! )। তাই নেট ঘেটে বের করি বিভিন্ন ই-কার্ড। কিন্তু সেই কার্ড যদি নিজের তৈরী করা হয় তাহলে আনন্দটা আরও বেশী লাগবে। সেরকমই একটা কার্ড কিভাবে ডিজাইন করা যায় তা দেখার চেষ্টা করব।


১. প্রথমে ফটোশপে একটা নতুন একটা ডকুমেন্ট খুলুন (৬৪০*৪৮০ পিক্সেল)।
২.এবার background টা পছন্দমত রঙে রাঙিয়ে নিন ( আমি ব্যবহার করেছি #ffffff ) এবার blending options এর সাহায্যে একটা gradient তৈরী করে নিন। এজন্য নিচের মত সেটিংস করুন।



gradient দেয়ার পর ইমেজটা এরকম হবে।



3. এবার নতুন একটা লেয়ার তৈরী করুন (layer - new layer) এবং pen tool এর সাহায্যে নিচের ছবির মত কিছু আঁকুন (pen tool কিভাবে ব্যবহার করতে হয় জানতে ক্লিক করুন এখানে) এবং কালার হিসেবে ব্যবহার করুন #7f2a2d.


৪. নতুন আরেকটি লেয়ার নিন এবং brush এর সাহায্যে ইমেজের মাঝখানে ফুল, লাইন, শেইপ দিয়ে ডিজাইন করুন যা কিছু আনার ইচ্ছা, আর কালার করে নিতে পারেন এই রংগুলো দিয়ে - #f1f29a (হলুদ), #ffffff (সাদা) and #7f2a2d (গাঢ় লাল). আগে রাসেল ভাই ব্রাশ নিয়ে বেশ কয়েকটা পোস্ট দিয়েছেন. এখানে যে ব্রাশগুলো ব্যবহার করা হয়েছে ( ব্রাশ-১, ব্রাশ-২, ব্রাশ-৩, ব্রাশ-৪, ব্রাশ-৫ )এই স্টেপে কিভাবে ডিজাইন করবেন সেটা সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করবে। যাহোক আমার ডিজাইনটা এসেছে এরকম...
ব্রাশ-৫


৫. আরেকটা নতুন layer নিন (layer - new layer) এবং rectangular marquee tool ব্যবহার করে একটা স্কয়ার শেইপ তৈরী করুন ( 200*200px ). এবার সেটা সিলেক্ট করে paint bucket tool এর সাহায্যে #c33b40 কিংবা আপনার পছন্দের রঙে রাঙিয়ে নিন। তাহলে নিচের ছবির মত দেখাবে।



৬. এবার elliptical marquee ব্যবহার করে আগের বক্সের উপর round shape তৈরী করুন। নতু আরেকটা layer নিয়ে gradient tool ব্যবহার করুন। এজন্য নিচের সেটিংস দেখতে পারেন।






৭. এবার gradient এর বেদরকারী সাদা অংশ মুছতে লেয়ারে লাল বক্সের layer যান এবং magic wand tool ব্যবহার করুন। এবার আসুন (select - inverse) এবং gradient layer সিলেক্ট করে delete চাপুন বা (edit - clear)। তাহলে নিচের মত দেখা যাবে।


৮. এবার বক্সের উপর কিছু টেক্সট লিখুন (HAPPY NEW YEAR 2010)।


৯. টেক্সটে কিছু ইফেক্ট দিতে পারেন। আর লাল বক্সটাতে কিছু ইফেক্ট দিয়ে আরো আকর্ষনীয় করে নিতে পারেন। এজন্য blending options ব্যবহার করতে পারেন এবং নিচের সেটিং দেখুন ......







১০. তাহলে সবশেষ রেজাল্টটা দেখাবে নিচের মত......




সবাইকে নতুন বছরের আগাম শুভেচ্ছা...................

বুধবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১০

সেরা কয়েকটি টিউনিং টুল

কমপিউটার ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়েন। এসব সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যবহার করা হয় ভালো মানের বিভিন্ন ধরনের টিউনিং টুল। এসব টিউনিং টুলের কোনো কোনোটি পিসির বিদ্যমান সমস্যার সমাধান দিতে পারে, কোনোটি আবার পিসির স্টোরেজ স্পেস ব্যাপকভাবে বাড়াতে পারে এবং বাড়তি ইউটিলিটি ব্যবহারের সুযোগ দেয়, যার ফলে উইন্ডোজে কাজ করতে সহজ হয়। বর্তমানে শত শত ফ্রি এবং বাণিজ্যিক প্রোগ্রাম রয়েছে, যার মধ্যে সীমিতসংখ্যক প্রোগ্রামই ব্যবহারকারীর প্রয়োজনীয় সব চাহিদা মেটাতে পারে। এ সংখ্যায় ব্যবহারকারীর পাতায় বর্তমানে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের টিউনিং টুলের মধ্য থেকে সেরা ছয় ধরনের টিউনিং টুলের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা পাঠকদের উদ্দেশে নিচে তুলে ধরা হয়েছে।

টিউনআপ ইউটিলিটিস ২০০৯



গত কয়েক বছর ধরে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে টিউনআপ ইউটিলিটিস। এ স্যুট সব ধরনের টিউনিং ইউটিলিটির চাহিদা পূরণ করতে পারে এবং আপনার সিস্টেম সেটিংকে রিসর্টিং করার জন্য প্রয়োজনীয় ফিচার অফার করে, যা রেসকিউ সেন্টার নামে পরিচিত। এ স্যুট অনভিজ্ঞ ও অভিজ্ঞ উভয় ধরনের ব্যবহারকারীর জন্য বিভিন্ন ধরনের ফিচার অফার করে। যদি আপনি ম্যানুয়ালি মেইনটেনেন্সের কাজ করতে না চান, তাহলে ‘1-click Maintenance’ ফিচারের ওপর ন্যস্ত করতে পারেন, যা এক ক্লিকে মেইনটেনেন্সের কাজ সম্পন্ন করতে পারে। টিউনআপ ইউটিলিটিস মেইনটেনেন্সের কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতি সপ্তাহে করে, ইচ্ছে করলে এ কাজটি আপনার পছন্দমতো সময়ে করার জন্য ম্যানুয়ালি সময় নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন।



টিউনআপ ইউটিলিটিস স্যুটের অন্তর্গত টিউনআপ রেজিস্ট্রি ডিফ্র্যাগ ও রেজিস্ট্রি ক্লিনার মডিউল ব্যবহার করা যায় রেজিস্ট্রি ক্লিন ও অপটিমাইজেশনের কাজে। যদিও অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীরা পছন্দ করেন টিউনআপ রেজিস্ট্রি এডিটর ফিচার যা হলো ম্যানুয়ালি রেজিস্ট্রি এডিটিংয়ের জন্য ব্যবহৃত টুল রেজিএডিট-এর বিকল্প। টিউনআপ ইউটিলিটি দিয়ে খুব সহজেই রেজিস্ট্রির পরিবর্তনকে ট্র্যাক করা যায়। এই ইউটিলিটির নতুন বুট স্ক্রিন ও আইকন ফ্রি ডাউনলোড করতে পারবেন www.tuneup.com সাইট থেকে।

সিক্লিনার



ডিস্কস্পেস রিকোভারের জন্য সেরা টুল হিসেবে বর্তমানে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে সিক্লিনার (ccleaner) টিউনিং টুল, যা ইন্টারনেট থেকে ফ্রি ডাউনলোড করা যাবে। এ টুল খুব দ্রুতগতিতে এবং অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে টেম্পোরারি ফাইল যেমন অপসারণ করতে পারে, তেমনি পারে অনাকাঙ্ক্ষিত ডাটাও অপসারণ করতে। এই টুল বিভিন্ন কম্পোনেন্ট যেমন টেম্পোরারি ইন্টারনেট ফাইল, ব্রাউজার হিস্টোরি (ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, ফায়ারফক্স, অপেরা, গুগল ক্রোম এবং এপল সাফারি) ক্লিপবোর্ড, সাম্প্রতিক ডকুমেন্ট, হিস্টোরি রান, মেমরি ডাম্প ইত্যাদি পরিষ্কার অর্থাৎ ক্লিন করতে পারে। এ টুল রেজিস্ট্রি রিপেয়ার যেমন করতে পারে তেমনি পারে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামসমূহকে সফলতার সাথে আনইনস্টলও করতে। সিক্লিনার টুল তার সব কাজই করে বেসিক সেটিংয়ে। তাই ক্লিনিংয়ের কাজ শুরু করার আগে সব কুকিজ বাদ রেখে এ কাজটি করতে হবে। কেননা, এগুলো সচরাচর ভিজিট করা ওয়েবসাইটে লগিংয়ের জন্য দরকার হয়, যা Settings>Cookies ব্যবহার করে সেট করা হয়। ক্লিনিং প্রসেস শুরু করার আগে Analyse বাটনে ক্লিক করলে জানতে পারবেন কতটুকু স্টোরেজ স্পেস খালি করা যাবে। সিক্লিনার অ্যানালিস্ট ন্যূনতম ১৫০ মে.বা. ডিস্ক স্পেস খালি করতে পারে। ওয়েবসাইট : www.ccleaner.com/download

রেজিস্ট্রি সিস্টেম উইজার্ড



আমরা প্রায় সবাই জানি, রেজিস্ট্রি থেকে অসঙ্গতিপূর্ণ আইটেম বা এন্ট্রি যেগুলোর কোনো প্রয়োজন নেই, সেগুলোকে অপসারণ করলে সিস্টেম কার্যকরভাবে পারফরম করবে। আর ঠিক এ ধরনের কাজ করে রেজিস্ট্রি সিস্টেম উইজার্ড (RSW)। উইন্ডোজ টিউনিংয়ের ক্ষেত্রে সরাসরি উইজার্ড ইউটিলিটি বা আরএসডব্লিউ স্টার্ট হবার পর WinFAQ-এর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রদর্শন করে উইন্ডোজ টোয়েকিংয়ের পরামর্শ। ব্যবহারকারীকে প্রথমে উইন্ডোজের ভার্সন সিলেক্ট করতে হয় এবং তারপর কাঙ্ক্ষিত প্যারামিটার পরিবর্তন করে নিতে হবে। এর ফলে ইনফরমেশন উইন্ডোতে সিলেক্ট করা টোয়েকের বিস্তারিত বর্ণনা প্রদর্শিত হবে (ওয়েবসাইট : www.winfaq.de)। আরএসডব্লিউ ব্যবহার করে আপনি রেজিস্ট্রি কী ভিইউ ও এডিট করতে পারবেন, নেটওয়ার্কজুড়ে মডিফাই, রেজিস্ট্রি ব্যাকআপ, রিস্টোর ও সার্চ করতে পারবেন কী ওয়ার্ড ব্যবহার করে।

এ ইউটিলিটির অন্যতম প্রতিবন্ধকতা হলো এর ইন্টারফেস ইংলিশ ভাষায় নয়। আর এ কারণে এ টুলের বর্ণনাকে জার্মান ভাষা থেকে ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করতে হবে অনলাইন ট্রান্সলেশন টুল ব্যবহার করে।

টেরাকপি

প্রচুর পরিমাণে পুরু ডাটার খন্ড যেমন মুভি বা পুরো পার্টিশন উইন্ডোজ এক্সপ্লোরারে কপি করা যথেষ্ট কষ্টসাধ্য কাজ। টেরাকপি (TeraCopy) নামের ইউটিলিটি বিপুলায়তনের ডাটা অতিদ্রুতগতিতে এক অবস্থান থেকে অন্য অবস্থানে খুব সহজে স্থানান্তর করতে পারে। যদি সফটওয়্যার কোনো করাপ্ট করা অথবা ব্যবহৃত কোনো ফাইলের মুখোমুখি অপ্রত্যাশিতভাবে হয়, তাহলেও এই সফটওয়্যার ফাইল কপি করার কার্যক্রম বন্ধ না করে সেসব ফাইল এড়িয়ে গিয়ে তার কার্যক্রম চালিয়ে যায়।



যদি দুটি ভিন্ন ড্রাইভার ব্যবহার হয়, তাহলে কপি করার প্রসেসটি অ্যাসিনক্রোনাসভাবে হয় এবং এক্ষেত্রে ডায়নামিক মেমরি বাফার ব্যবহার করার ফলে ল্যাটেনসি কমে যায়।

টেরাকপি ইনস্টলেশনের পরে কনটেক্সট মেনুতে যুক্ত করে নতুন এন্ট্রি। ফাইল কপি করতে চাইলে ফাইলে রাইট ক্লিক করে TeraCopy > Copy to অপশন সিলেক্ট করতে হবে। এরপর ব্রাউজার ব্যবহার করে টার্গেট ফোল্ডার সিলেক্ট করলে ফাইল কপি হয়। একইভাবে Move to অপশন ব্যবহার করে ফাইল স্থানান্তর বা মুভ করতে পারবেন। যদি আপনি বিভিন্ন ফোল্ডার থেকে সিঙ্গেল লোকেশনে ফাইল কপি করতে চান, তাহলে প্রথমে ‘Add’ ফাংশন ব্যবহার করে সেসব ফাইল টেরাকপি লিস্টে যুক্ত করতে হবে। ফাইল ও ফোল্ডার ড্র্যাগিং করেও এ লিস্টে যুক্ত করতে পারবেন। ফ্রি ভার্সন পাওয়া যাবে www.codesetor.com সাইট থেকে।

ইবুস্টার



হার্ডডিস্ক থেকে ডাটা লোড করানোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে অধিকতর দ্রুতগতিতে ডাটা লোড করানো যায় র‌্যাম থেকে। এটি বাস্তব সত্য। আর এ সুবিধাটি পুরোমাত্রায় গ্রহণ করেছে ইবুস্টার (eBooster) নামের সফটওয়্যারটি। এর ফলে অ্যাপ্লিকেশনের স্টার্টআপ সময় ব্যাপকভাবে কমে যায় ক্যাশিং (caching) সিস্টেমের কারণে। এ সফটওয়্যারটি ইবুস্টার চালু করে কাজ করতে চাইলে প্রথমে আপনাকে ক্যাশ মেমরি হিসেবে র‌্যাম বা এক্সটারনাল স্টোরেজ ডিভাইসকে সেট করতে হবে এবং স্লাইডার ড্র্যাগিংয়ের মাধ্যমে ক্যাশ মেমরির সাইজ নির্দিষ্ট করতে হবে। ক্যাশ মেমরির সাইজ নির্ভর করে ইনস্টল করা র‌্যাম বা স্টোরেজ ডিভাইসের ক্ষমতার ওপর। এই ফিচারটি উইন্ডোজ ভিসতার রেডিবুস্ট (ReadyBoost)-এর ফিচারের মতো কিন্তু অ্যাপ্লিকেশন এক্সেলারেশনের জন্য শুধু ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ এবং উইন্ডোজ স্টার্টআপ ব্যবহার করতে পারবেন। আপনি ইবুস্টার সর্বোচ্চ চারটি সংযুক্ত ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ব্যবহার করতে পারবেন। ইবুস্টারের মূল উইন্ডোজের নোটিফিকেশন অঞ্চলে এর আইকনে ডাবল ক্লিক করে সহজে এক্সেস করা যায়। এই সফটওয়্যার ক্যাশ তৈরি করতে যে সময় নেবে ততক্ষণ আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে। যখন স্ট্যাটাস সক্রিয় হবে, তখন এক্সেসের স্পিডের পার্থক্য বুঝতে পারবেন। কেননা ক্যাশিংয়ের জন্য র‌্যাম ব্যবহার হয়। এর ফলে কমপিউটারের এক্সেস স্পিড ২৭ মে.বা./সে. হতে ৮৬৩ মে.বা./সে.-এ উন্নীত হয়।

ইবুস্টার উইন্ডোজ এক্সপিতে অনেকটা ভিসতার সুপারফেচ (SuperFetch) ফিচারের মতো আরচণ করে। যেসব প্রোগ্রামে নিয়মিতভাবে এক্সেস করা হয় সেসব প্রোগ্রামের এবং স্টার্টআপ আইটেমের ওপর নোট তৈরি করে এবং বুট প্রসেসকে এমনভাবে অপটিমাইজ করে যেন মনে হবে, এ প্রোগ্রামগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। ভিসতা ব্যবহারকারী ইবুস্টার ব্যবহার করতে পারবেন ভিসতার রেডিবুস্ট ফিচারকে অপটিমাইজ করার জন্য। এই ইউটিলিটির ফ্রি ভার্সন শুধু দু’ ঘণ্টার জন্য ব্যবহার করা যাবে। ওয়েবসাইট- http:www.ebooster

রিভাটিউনার



গ্রাফিক্স প্রসেসর ইউনিট বা জিপিইউ-কে ওভারক্লক করা যায়, তবে এ কাজটি বেশ ঝুকিপূর্ণ। আর এ কারণে এনভিডিয়া এবং এটিআই উভয়ই ওভারক্লকিং অপশনকে তাদের ড্রাইভারের গভীরে লুকিয়ে রেখেছে। যাই হোক, রিভাটিউনার (RevaTuner) ব্যবহার করে কোর সেটিং এবং মেমরি স্পিড সেটিংয়ে এক্সেস করতে পারবেন। এই সফটওয়্যার জিপিইউ ওভারক্লকিংয়ের দুটি মোড অফার করে। অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীদের জন্য রয়েছে সেটিং লিস্ট আর নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য ট্যাব-এর সুবিধা যাতে তারা নিরাপদে কাজ করতে পারে। এ মোডে শুধু রেজিস্ট্রি ও ড্রাইভারের সেটিং পরিবর্তন করা যায়।

জিপিইউ ওভারক্লক করতে চাইলে- ‘RivaTuner\NVIDIA\Overclocking\Current device’ সেকশনে নেভিগেট করুন এবং সিলেক্ট করুন প্রিসেট অপশন। আপনি ইচ্ছে করলে ফ্যান স্পিডকেও টোয়েক করতে পারবেন যার জন্য নেভিগেট করতে হবে ‘RivaTuner\NVIDIA\Fan\Current device’. যদি জিপিইউ ওভারক্লকিংয়ে অভ্যস্ত হয়ে থাকেন, তাহলে ‘Driver settings’ ফিল্ডের ড্রপডাউন লিস্টের ‘Customize’-এ ক্লিক করুন এবং সিলেক্ট করুন ‘System settings’ অপশন। এর ফলে একটি সিস্টেম টোয়েকের ডায়ালগ বক্স আবির্ভূত হবে যেখানে পাবেন কোর সেটিং ও মেমরি স্পিড সমন্বয়ের সুবিধা। www.guru3d.com সাইড থেকে এ সফটওয়্যার ডাউনলোড করা যায়

http://www.comjagat.com/home/articles/morearticles/3885

 
Design by Free WordPress Themes | Bloggerized by Lasantha - Premium Blogger Themes | Best Buy Coupons