বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০১০

জেনুইন করুন আপনার প্রায় সকল প্রকার উইন্ডোজ



মোটামুটি অনেকদিন যাবত কোন বিষয় নিয়ে পোষ্ট দেয়া দূরের কথা, ব্লগেই ভালোভাবে আসা হয়নি। বৃষ্টিস্নাত এবং ভুমিকম্পময় ভয়াবহ একটি ঈদের ব্যস্ততা, নিজের অসুস্থতা ইত্যাদি ইত্যাদি মিলিয়ে এক বিতিকিচ্ছিরি অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। অবশেষে ব্লগে আজ থেকে ভালোভাবে ফিরলাম। এবং সেই সাথে ভাবলাম, আমার অর্ধশত(!)তম পোষ্টটি একটি বাটপারি মার্কা পোষ্ট হউক। এবং তাই হল। দেখি, মাইক্রোসফটের সাথে আমরা কেমন বাটপারি করতে পারি!!! :P :P :P

আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহারকারী, তাদের বেশিরভাগই ব্যবহার করে থাকি মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিষ্টেম উইন্ডোজগুলোর থেকে যেকোন একটি কিংবা দুইটি। অনেকে আবার লিনাক্স ব্যবহার করে থাকেন।

আমরা প্রায় সবাই পাইরেটেড উইন্ডোজ ব্যবহার করে থাকি, যদিও এটি করা উচিৎ নয়। কারণ, অরিজিনাল উইন্ডোজ কিনতে গেলে আমাদের প্রায় অনেকেরই হয়তো ফতুর হওয়ার অবস্থা হবে। দেখা যায়, একটি কম্পিউটার কিনতে যত টাকা ব্যয় করা হয়, তার চাইতে বেশি টাকা ব্যয় করতে হয় এক অপারেটিং সিষ্টেম কেনার জন্য। এটা অনেকেরই কেনার সামর্থ্য নেই এবং এটাই স্বাভাবিক। তার ওপর যেহেতু আমাদের পাইরেটেড জিনিস কেনার এবং ব্যবহার করার সুযোগ আছে, সেহেতু অনেক টাকা ব্যয় করে অরিজিনাল জিনিসই বা কিনতে চায় কয়জন?

তবে এইসব পাইরেটেড উইন্ডোজ যে জেনুইন হবে না, এটা বলাই বাহুল্য। এবং এগুলো জেনুইন থাকে না জন্য এগুলোতে মাইক্রোসফটের বেশিরভাগ সফটওয়্যারই চালানো যায় না এবং উইন্ডোজ আপডেট করা যায় না। এছাড়া আরও অনেক ব্যাপার-স্যাপার তো আছেই। কাজেই আমরা অনেকেই কঠিন রকমের বাটপারি(!) করে আমাদের উইন্ডোজটি জেনুইন করে নিই। অনেকে হয়তো অনেকরকমভাবে তাদের উইন্ডোজ জেনুইন করে থাকেন। এই ব্লগেও অনেক পোষ্ট আছে উইন্ডোজ জেনুইন করা নিয়ে। অনেকরকম পদ্ধতিও আছে। পোষ্টগুলোর বেশিরভাগই এক্সপি নিয়ে। ভিসতার একটাও আমি খুঁজে পাইনি(থাকতেও পারে)। উইন্ডোজ সেভেনেরও একটা কঠিন রকমের পোষ্ট খুঁজে পেয়েছিলাম। সেই পোষ্টটি খুব সম্ভবতঃ উইন্ডোজ আর লিনাক্স এক করে ফেলেছিল। কারণ, গাদা গাদা কমান্ডের ব্যাপার ছিল সেই পোষ্টে। সেটা উইন্ডোজের সাথে খুব একটা মানানসই হচ্ছিল না।

যাই হোক, বাজে প্যাচাল রেখে এবার আসল কথাগুলি বলি।
আমি আপনাদের সম্মুখে এবার উইন্ডোজ এক্সপি, ভিসতা এবং সেভেন খুব সহজভাবে জেনুইন করার পদ্ধতিটা দেখাতে চাই। আশা করছি, আপনাদের ভালো লাগবে। ;) ;) :) :P



উইন্ডোজ এক্সপি
=============================================
প্রথমে এই লিংক থেকে "Windows XP Activator" নামক ১.১৬ কিলোবাইট সাইজের জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোড করা হয়ে গেলে ফাইলটি আনজিপ করুন।


আনজিপ করার পর ফোল্ডারটি ওপেন করলে দুইটি ফাইল দেখতে পাবেন। একটি রেজিষ্ট্রি ফাইল এবং আরেকটি টেক্সট ফাইল। আপনার এক্সপি জেনুইন করার পদ্ধতিও দুইটি।


প্রথম পদ্ধতিঃ



আপনার ডাউনলোডকৃত "উইন্ডোজ এক্সপি অ্যাকটিভেটর" নামক ফোল্ডারটিতে "Add Licence To Your Windows" নামক রেজিষ্ট্রি ফাইলটি ওপেন করুন। ওপেন হলে "Yes" বাটন চাপুন এবং তারপর "OK" বাটন চাপুন। অতঃপর কম্পিউটার রিষ্টার্ট দিন। ব্যস, হয়ে গেলো আপনার উইন্ডোজ এক্সপিটি জেনুইন!!!!


দ্বিতীয় পদ্ধতিঃ

আপনি যখন এক্সপি ইনষ্টল করবেন, তখন ইনষ্টল করার সময় যে সিরিয়াল চায়, সে স্থানে যদি ডাউনলোডকৃত ফোল্ডারটিতে এই "Windows XP Key" নামক টেক্সট ফাইলে যে সিরিয়ালটি আছে সেটি ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার এক্সপি জেনুইন হিসেবেই ইনষ্টল হবে। আলাদা কোন কষ্ট করে আপনার এক্সপিকে জেনুইন বানাতে হবে না।



উইন্ডোজ ভিসতা
=============================================
সবার প্রথমে এই লিংক থেকে "Windows Vista Activator" নামক ১.২১ মেগাবাইট সাইজের জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোড হয়ে গেলে ফাইলটি আনজিপ করে নিন।


আনজিপ করার পর ফোল্ডারটি ওপেন করে দেখুন, "activation" নামে একটি ফাইল আছে। ফাইলটি ওপেন করুন।


ফাইলটি ওপেন হলে যে উইন্ডোটি আসবে, সেটার "Continue" বাটনে চাপ দিন।


তারপর যে উইন্ডোটি আসবে, সেটা থেকে আপনার পিসিতে ভিসতার যে ভার্সনটি ইনষ্টল করেছেন সেই ভার্সনটি সিলেক্ট করুন।


ভার্সনটি সিলেক্ট করে "Continue" বাটনটি চাপুন।


কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন এবং তারপর দেখুন, আপনাকে উপরের ছবিটির মত একটি উইন্ডো দেখাচ্ছে। "OK" বাটনটি চাপুন।


তারপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন এবং দেখুন, একটি উইন্ডো চলে এসেছে। "Finish" বাটনটি চাপুন। আপনার কম্পিউটার নিজে থেকেই রিষ্টার্ট হবে।


রিষ্টার্ট হবার পর দেখুন, আপনার উইন্ডোজ জেনুইন হিসেবে অ্যাকটিভেটেড দেখাচ্ছে!!! :) :)


বিঃদ্রঃ আপনি যখন ভিসতা অ্যাকটিভেট করবেন, তখন অনুগ্রহ করে আপনি যে ডিভিডি থেকে ভিসতা ইনষ্টল করেছেন, সেটি ডিভিডি ড্রাইভে প্রবেশ করিয়ে রাখুন। নয়তো আপনার অ্যাকটিভেশন কমপ্লিট হবে না।


ডিভিডি ড্রাইভে ভিসতার ডিভিডি না থাকলে তখন এরকম একটি উইন্ডো দেখাবে। ডিভিডি প্রবেশ করিয়ে "Continue" চাপুন। কম্পিউটার রিষ্টার্ট হয়ে গেলে তারপর ডিভিডিটি বের করে ফেলুন।

উল্লেখ্য, অনেকভাবে ভিসতা জেনুইন করা যায়। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই দেখা যায়, ২-৩ মাস ব্যবহার করার পর ভিসতাটি নিজে থেকেই তার জেনুইনিটি হারায়। আবার অ্যাকটিভেট করতে চাইলেও হয় না। কিন্তু এই ফাইল থেকে ভিসতা অ্যাকটিভেট করলে আপনার ভিসতা কখনোই তার জেনুইনিটি হারাবে না। সবসময়ই জেনুইন হয়ে থাকবে। :)




উইন্ডোজ সেভেন
=============================================
প্রথমে এই লিংক থেকে "Windows 7 All PlusPatch 10.0" নামক ১০ মেগাবাইট সাইজের জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করে আনজিপ করে নিন।


যে উইন্ডোটি আসবে, সেখানকার "Yes" বাটনটি চাপুন।


এবার যে উইন্ডোটি আপনি দেখছেন, সেই উইন্ডোতে দেখুন, "Active all Edition 32bit" নামক একটি বাটন আছে। সেটিতে ক্লিক করুন।


কিছুসময় অপেক্ষা করুন এবং তারপর এরকম একটি উইন্ডো দেখতে পাবেন। যেকোন কি প্রেস করুন।


আপনার কম্পিউটার নিজে থেকেই রিষ্টার্ট হবে কিংবা আপনি রিষ্টার্ট দিন। তারপর দেখুন, আপনার উইন্ডোজ সেভেন জেনুইন হয়ে গিয়েছে!!

বিঃদ্রঃ এই নিয়ম শুধুমাত্র "Windows 7 RC1, Service pack1" এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এবং এই নিয়মে উইন্ডোজ সেভেন জেনুইন করতে গেলে আপনাকে নিচের সিরিয়ালটি দিয়ে সেভেন ইনষ্টল করতে হবে।

সিরিয়ালটি হলঃ 9JBBV-7Q7P7-CTDB7-KYBKG-X8HHC
---------------------------------------------------------------------------------

Source : http://www.somewhereinblog.net/blog/nirjhor2009/29018669

0 টি মন্তব্য:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
Design by Free WordPress Themes | Bloggerized by Lasantha - Premium Blogger Themes | Best Buy Coupons